জামায়াত বিতাড়িত হবেই : অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম

জামায়াত বিতাড়িত হবেই : অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম

জামায়াত বিতাড়িত হবেই : অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম

পাথেয় টোয়েন্টিফোরি ডটকম : রাজনৈতিক মাঠ থেকে জামায়াতে ইসলামীকে বিতাড়িত করেই ছাড়বেন  বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, আমরা জামায়াতকে কোনো জায়গা দিতে চাই না। কিন্তু ড. কামাল হোসেনরা কৌশলে জামায়াতের পক্ষ নিলেন। তারা হচ্ছেন বর্ণচোরা। তারা মুখে এক, বাইরে আরেক। আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক কৌশল দিয়েই জামায়াত বা উগ্রবাদী শক্তিকে বিতাড়িত করবে। জামায়াতকে নিষিদ্ধকরণের বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। আমার বিশ্বাস জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে যা করার তাই করা হবে। জামায়াতকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে বিতাড়িত করবই।

জাগো নিউজের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে সোমবার অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এসব কথা বলেন।

অধিকসংখ্যক মানুষকে অনাস্থায় রেখে দুর্নীতি রোধ করা কি সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে রেজাউল করিম বলেন, অবশ্যই সরকারের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনসমর্থন গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী লীগ সরকার এবার সেই জনসমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় এসেছে। ১৯৭০ সালের মতো এবারের নির্বাচনে মানুষ উপচে পড়েছিল। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বলেছে, এ নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা আদালতে যাবেন। আমরাও আইনের মাধ্যমে তা মোকাবিলা করব।

আমাদের বিশ্বাস, বিএনপি-জামায়াত এবং কিছু বিচ্ছিন্ন ব্যক্তির সমন্বয়ে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল, তা মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেনি। জোটটির প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তার নিশ্চয়তা ছিল না। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দণ্ডপ্রাপ্ত। ড. কামাল হোসেন নির্বাচন করেননি। যে নৌকার হাল ধরার কেউ নেই, সেই নৌকায় কোনো যাত্রী উঠতে চায় না। আমার ধারণা, মানুষ বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ভীতসন্ত্রস্ত। দ্বিতীয়ত, দেশের অধিকাংশ মানুষ যুদ্ধাপরাধের বিচার চেয়েছে। বিএনপি সুকৌশলে যুদ্ধাপরাধীর সন্তানদের মনোনয়ন দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ মনে করছে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরাধিকার রক্ষা করতে চায়। মানুষ এ নীতি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

তৃতীয়ত, ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দণ্ড মওকুফ চেয়েছেন। দুর্নীতিবাজদের মুক্তি চাওয়ার বিষয়টি মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।

চতুর্থত, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের যে বিপ্লব ঘটেছে তার ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যই মানুষ আওয়ামী লীগের ওপর আস্থা রেখেছে। মানুষ চায় নিরাপত্তা। আওয়ামী লীগ সরকার সেটি নিশ্চিত করেছে। একদিকে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত নেতৃত্ব অন্যদিকে বিশ্বের সৎ ও পরিশ্রমী নেতৃত্ব। মানুষ শেখ হাসিনার প্রতিই আস্থা রেখেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *