প্রকাশ্যে ধূমপান নয়, প্রয়োজনে নির্দিষ্ট কর্নার হবে : মেয়র নাছির
পাথেয় রিপোর্ট (চট্টগ্রাম অফিস) : এক বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে জনসমাগমের স্থলে প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ‘সকলের অংশগ্রহণে নিশ্চিত হোক তামাকমুক্ত চট্টগ্রাম নগরী’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চট্টগ্রামের মেয়র।
মেয়র আ জ ম নাছির বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের কোথাও প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেব না। নির্দিষ্ট জায়গা ব্যতীত ধূমপান করা যাবে না। এটা যৌক্তিক সময়ের মধ্যেই করব। আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করব।’
এ সময় তিনি চট্টগ্রাম নগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল এলাকার একশ গজের মধ্যে থাকা পান-সিগারেটের দোকান দ্রুত সময়ের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করে, তা বাস্তবায়নের এবং ধূমপান বা পান খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কর্নার চালুরও কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘এই নির্দেশনা কার্যকরের লক্ষ্য নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। এই কাজে সর্বজনীন সহযোগিতা প্রয়োজন’
আ জ ম নাছির বলেন, ‘আমাদের নগরীতে অনেক স্কুল, কলেজ, এমনকি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকায় পান ও সিগারেটের দোকান দেখতে পাওয়া যায়। এসব দোকান থেকে তামাকজাতীয় পণ্য সহজে কিনতে পাওয়া যায়। সহজলভ্যতার কারণে শিক্ষার্থীরা ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ছে। ধীরে ধীরে আমাদের প্রজন্ম, সমাজ ধ্বংসের অতলে নিমজ্জিত হচ্ছে। এই নতুন প্রজন্মের হাতেই পরিচালিত হবে আগামীর বাংলাদেশ। কিন্তু ধূমপান আসক্তি সব মাদকাসক্তির প্রাথমিক পর্যায়, এ কথা প্রমাণিত সত্য। তাই এই প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে তামাকমুক্ত নগরী বিনির্মাণ আজ সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন ‘বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিত নানা কারণে এখন আন্তর্জাতিক মানের। এটা করতে পারলে শুধু দেশের নয়, চট্টগ্রামের পরিচিতিও সারা বিশ্বে বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, ‘এ শহর থেকে আমি বিলবোর্ড উচ্ছেদ করেছি। এটাও আমি পারব, আমি পান-সিগারেট খাই না। এই নৈতিক শক্তি আমার আছে।প্রয়োজন সর্বজনীন সহযোগিতা ’


