রমজানের প্রতীক্ষা। মুস্তাফা জামান আব্বাসী
আর মাত্র কিছু প্রহর। একদিন অথবা দু’দিন। তারপর মহান এক মাস আমাদের জন্যে আল্লাহ্র বিশেষ রহমত। কি রহমত তা নিয়ে ভাবা দরকার। শুধু আচার অনুষ্ঠান কাজ হবে না। তাতে অনুষ্ঠানের আসন গুরত্ব লোকে ভুলে যেতে পারে। যেমন টেলিভিশনে অজস্র অনুষ্ঠান যে গুলো গুরুত্ব পাবে, সে গুলো হচ্ছে ঈদের বাজার, মানুষ কিসে ব্যস্ত থাকবে, সারা দেশে কিসের উপর গুরুত্ব।
কিসের? আল্লাহ্র সঙ্গে সম্পর্ক অন্বেষণ, আর কিছু নয়।
কিভাবে? কুরআনের মাধ্যমে, আর কিছু নয়।
শুধু কুরআন পাঠ নয়। কেন, কোন সময় কি পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ বলেছিলেন সে কথাগুলো। তা আজকের দিনে কোনখানে প্রযোজ্য তার ব্যাখ্যা।
কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। সারা পত্রিকা জুড়ে বিজ্ঞাপণের পর বিজ্ঞাপণ। কোথায় হালুয়া রুটি, কোথায় ইফতার পাটি, কোথায় শান শওকত, তাই দেখছি। আসল যা বলার তা কেউ বলছে না। কিসের ত্যাগ, তা বলছে না। শুধু না খাওয়া নিয়ে যত আলোচনা।
প্রতিটিক্ষণ আল্লাহ্র সঙ্গে থাকব? পয়সা কামাইয়ের জন্যে সব অফিসে যে ঘুষ চালু হয়েছে তাকে পদাঘাত করব, যে ঘুষ খাবে তাকে ধরে ফেলুন, পদদলিত করুন। অপমান করুন। তাদের পেছনে যারা তারা সবাই সণাক্ত হয়েছে। ব্যাংকে লিজিং কোম্পানিতে যারা অনাচার করছেন, তাদেরকে এই ধরে ফেলুন। ছাড় দেবেন না। যদি ছাড় দেন তা হলে আপনার রোজা হবে না।
মু. জা. আ.
২২শে বৈশাখ, ১৪২৬


