বন্যা কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চরমোনাই পীরের আহ্বান
পাথেয় রিপোর্ট : উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সেনা বাহিনী ও বিমান বাহিনী সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, সমগ্র উত্তরবঙ্গ আজ বন্যার পানিতে ভাসছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ পানিবন্দি হয়ে আছে। অনেক মানুষ ইতোমধ্যেই মারা গেছে। বহু গবাদী পশু ভেসে যাচ্ছে। আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যাকবলিত উত্তরবঙ্গে উদ্ধার তৎপরতা আরো জোরদার করা দরকার। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ তৎপরতা আরো বাড়ানো দরকার। এমতাবস্থায় বন্যাকবলিত উত্তরবঙ্গকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা চালানো প্রয়োজন। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সেনা বাহিনী ও বিমান বাহিনী নিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে বাচাতে হবে।
মঙ্গলবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, ভারত থেকে ধেয়ে আসা বন্যার পানিতে উত্তর, মধ্য ও উত্তর-পূর্বাঞ্চাল মারাত্মক রূপ নিচ্ছে বন্যা ও বন্যাজনিত কারণে নদীভাঙ্গন। এমতাবস্থায় সরকার ও বিরোধী দল সবাইকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়াতে হবে এবং বন্যা পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার ও তওবা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বন্যা কবলিত আশরাফুল মাখলুক বনি আদম বাঁচার জন্য রাব্বুল আলামিনের দরবারে ফরিয়াদ করছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বানবাসী মানুষ বাঁচার জন্য আশ্রয় খুঁজছে। বানবাসী মানুষ একটু আশ্রয় ও খাবারের জন্য আর্তনাদ করছে। তিনি বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান, সেবা সংস্থা ও সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের হরে হরে রাম রাম বলানো কীসের আলামত? : চট্টগ্রামে সম্প্রতি হিন্দুদের পূজা উপলক্ষে হিন্দু সংগঠন ইসকন কর্তৃক বাকলিয়া স্কুলসহ ১০টি স্কুলে মুসলিম ছাত্র ছাত্রীদের প্রসাদ খাওয়ায় এবং কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের হরে হরে রাম রাম, কৃঞ্চ কৃঞ্চ বলে শ্লোগান বার বার বলানোয় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, এভাবে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে হিন্দু ধর্মের বীজবপন করা ধর্মীয় অনুভুতিতে চরম আঘাত এবং এটা কিসের আলামত?। দেশবাসী জানতে চায়। এভাবে মুসলিম ছাত্র ছাত্রীদের হিন্দুদের প্রসাদ খাওয়ানো এবং তাদের মাঝে হিন্দু ধর্মের প্রতি আগ্রহশীল করতে যারা এ ধরনের কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ইসকন সংগঠনের উগ্রবাদীরা এদেশে ধর্মীয় দাঙ্গা লাগাতে চায় কিনা তাও খতিয়ে দেখতে হবে। কেননা এর আগেও ঢাকায় ইসকন এর উগ্রবাদীরা মসজিদে হামলা করেছিল। এদেরকে এখানেই থামিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় এরা সম্প্রীতি নষ্ট করে এদেশকে একটি অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র লিপ্ত হবে।


