নুরুল হুদার ওপর ক্ষেপেছে ৪ কমিশনার

নুরুল হুদার ওপর ক্ষেপেছে ৪ কমিশনার

নুরুল হুদার ওপর ক্ষেপেছে ৪ কমিশনার

পাথেয় রিপোর্ট : নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না করার অভিযোগ তুলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গের বাকি চার কমিশনার।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার ওপর ক্ষুব্ধ বাকি চার কমিশনার। তার বিরুদ্ধে তারা। নিজেদের ক্ষোভের কথা জানিয়ে ওই চার কমিশনার সিইসির কাছে ইউনোট (আন অফিসিয়াল নোট) দিয়েছেন।

রোববার (২৪ নভেম্বর) চার নির্বাচন কমিশনার যৌথভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে ইউনোট দেন। এতে সিইসি ছাড়াও ইসির (নির্বাচন কমিশন) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরের ওপরও ক্ষুব্ধ বলে জানিয়েছেন তারা।
ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, ইসির কোনো সিদ্ধান্তের ব্যাপারেই তাদেরকে জানানো হয় না। সিইসি আর সিনিয়র সচিব মিলেই সব কাজ করছেন। সম্প্রতি ইসিতে নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। এতে সংবিধান লঙ্ঘন বলে নোটে উল্লেখ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী যৌথ স্বাক্ষরিত নোটে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি কমিশনের ৩৩৯ জন কর্মচারি নিয়োগ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সচিবালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে চার কমিশনারকে অবহিত করা হয় না।

তারা ইউনোটে উল্লেখ করেন, সচিবালয় এককভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা সংবিধান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ- ১৯৭২, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন- ২০০৯ ও সংশ্লিষ্ট বিধির সুস্পষ্ট লংঘন। তারা এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, নিয়োগ অনুযায়ী সবকিছু হয়েছে। নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। ৯০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার জন্য ইসি, পিএসসি, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, নিয়োগে কোনো অনিয়ম হলে কমিশন তদন্ত করে দেখতে পারে। কমিটির সুপারিশ কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আমি সিইসির কাছে উপস্থাপন করেছি। ২০০৯-১০ সাল থেকে নিয়োগ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম এভাবেই পরিচালিত হয়ে আসছে।

চার কমিশনারের অভিযোগের বিষয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, ঘরোয়া আলোচনা পাবলিকলি আমার বলা ঠিক হবে না। উনারা ভালো বলতে পারবেন। তবে এইটুকু বলতে পারি যা হয়েছে তা আইন ও বিধি অনুযায়ী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *