শীত বার্তায় সরব পোশাক বাজার
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আসি আসি করেও আসছিলো না শীত। একটুখানি পরশ লেগেছে বলা যায় শীতের। দেশের বিভিন্ন জেলায় দারুণ শীতের প্রভাব পড়েছে। বিশেষত উত্তরবঙ্গে। রাজধানীর শপগুলোতেও শীতের প্রভাব চোখে পড়ার মতো। এদিকে ফুটপাতগুলোতে সারি সারি পোশাকের দোকানগুলোর দিকে তাকালেই শীত নিবারণে পোশাকের প্রয়োজনের কথা মনে পড়ছে।
শীতের শুরুর দিকে এই সব শীতবস্ত্রের দাম তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। সে কারণে অনেক ক্রেতাই সাধ্যের মধ্যে শীতের সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে শীতবস্ত্রের বাজারে ভিড়ও করছেন।
ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড থেকে শুরু করে ঢাকা কলেজ, নিউ মার্কেট এলাকা পর্যন্ত সব জায়গায় শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় বিক্রেতাদের। রয়েছে ফুলপ্যান্ট, ফুলহাতা গেঞ্জি, জ্যাকেট, মাফলার, হাতমোজা, পা মোজা, টুপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ও দামের কম্বল।
ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় শপিং মলগুলোতে দেখা যায় এসব পোশাক কিনতে সব ধরনের ক্রেতার ভিড়। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে এসব শীতবস্ত্রের আবার রয়েছে শ্রেণিভেদ।
ঢাকা সিটি কলেজের মোড়েই গ্রামীণ ইউনিকলোর কাচঘেরা শো-রুম। সেখানে রয়েছে বিভিন্ন দামের শীতের পোশাক।
সেখানকার ব্যবস্থাপক ফাহিম বলেন, শীতের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পোশাক হুডিতে রয়েছে বিশেষ ছাড়। এছাড়াও অন্যান্য শীতপোশাকের উপরও রয়েছে বিভিন্ন মাত্রায় মূল্যছাড়।
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তাদের শো-রুমে শীতকালীন পোশাক আসা শুরু হয়েছে বলে জানান ফাহিম।
যেহেতু শীত এখনও তেমনভাবে পড়ছে না, ক্রেতার সংখ্যা তেমন বেশি না। তবে খুব কমও না।
ঢাকা কলেজের পাশে চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের গা ঘেঁষে সিঁড়ির ধারে ছোট্ট পরিসরে শীতবস্ত্রের দোকান সাজিয়েছেন ময়মনসিংহের বাসিন্দা আজহারুল ইসলাম। প্রায় পনের বছর ধরে চলছে তার এই ব্যবসা। তবে শীত ছাড়া অন্য সময়টায় তার দোকানে টি শার্ট-গেঞ্জিসহ বিক্রি হয় ছেলেদের নানা ধরনের পোশাক।
ঠাণ্ডা আসার আগে থেকেই আমরা ফুলহাতার পোশাক নিয়ে আসা শুরু করি। প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়, বলেন আজহার।


