নট আউট সত্তরে নিরক্ষর বৃদ্ধা হিফজ করলেন পবিত্র কোরআন
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: আল্লাহর মহিমা কাকে বলে? নট আউট সত্তরে নিরক্ষর বৃদ্ধা উম্মে আদনান নামের একজন শরণার্থী পবিত্র কোরআন হিফজ করার গৌরব অর্জন করেছেন। এরচেয়ে সৌভাগ্য আর কী হতে পারে। তার পুরো নাম ইনআম আব্দুর রহিম যাওয়াইত। মধ্যপ্রাচ্যের চরম সংকট চলাকালীন জীবনের অন্তিম সময়ে নিরক্ষর এ বৃদ্ধা পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্ত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। বৃদ্ধ বয়সে তার এ কৃতিত্ব মুসলিম বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এখন বিশ্বজুড়েই প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
আরবি গণমাধ্যম হালাব টুডের বরাতে জানা যায়, ‘সিরীয় এ বৃদ্ধা যাওয়াইত বাড়ি ঘর হারিয়ে লেবাননের আশ্রয় কেন্দ্রে বসেই মুখস্ত করেন পবিত্র কুরআন। গণমাধ্যমটি এ বৃদ্ধার একটি ভিডিও ও সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেন।
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের পশ্চিমাঞ্চলের প্রসিদ্ধ শহর দারায়ায় ছিল তার বসবাস। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হলে জীবন বাঁচাতে তিনি মাতৃভূমি থেকে লেবাননে চলে আসেন। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় জেলা বাকার আর রফিদ শহরে শরণার্থী হিসেবে জীবনযাপন করছেন।
নিরক্ষর উম্মে আদনান লেবাননের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়ার পর ‘আল-আতা চ্যারিটেবল সোসাইটি’র তত্বাবধানে পবিত্র কুরআন শেখা শুরু করেন। কুরআন শেখা শেষে তিনি তা মুখস্ত করতে শুরু করেন। আর তাতে চূড়ান্ত সফলতাও লাভ করেন তিনি।
আল-আতা চ্যারিটেবল সোসাইটি তাদের ফেসবুক পেজে উম্মে আদনানের কুরআন মুখস্ত করার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। তাতে দেখা যায়, তিনি সংস্থাটির একাধিক শায়খের সামনে মধুর কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করেছেন। এ ভিডিওটিসহ উম্মে আদনানের একটি সাক্ষাৎকারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সাক্ষাৎকারে তিনি জীবনের শেষ সময়ে কুরআন মুখস্ত করার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘কুরআন শিখতে তার সময় লেগেছে সাত বছর। কুরআন শেখার পর মাত্র সাত মাসে হেফজ সম্পন্ন করেছেন উম্মে আদনান।


