কওমী মাদরাসায় অনলাইনে ভর্তি; স্থায়ী পদ্ধতির একটি খসড়া প্রস্তাবনা

কওমী মাদরাসায় অনলাইনে ভর্তি; স্থায়ী পদ্ধতির একটি খসড়া প্রস্তাবনা

মোহাম্মদ ইয়াহইয়া শহীদ ❑ করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) পাদুর্ভাবের কারণে প্রায় তিন মাস যাবত দেশের সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। সীমিত আকারে সবকিছু চালু হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে ইতিবাচক কোনো সংবাদ এখনো দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে আছে দেশের কওমী মাদরাসাগুলো। কওমী মাদরাসার শিক্ষাবর্ষের শুরু যেহেতু প্রতি রমজানের পর থেকে হয়, তাই স্বাভাবিকভাবেই এই সময়টা কওমী মাদরাসার ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তির সময়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কোনো মাদরাসাই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না। এতে করে ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তি নিয়ে কওমী মাদরাসাগুলো যেমন চিন্তিত, ছাত্র/ছাত্রীরাও দ্বিধাগ্রস্ত। ভর্তি হতে পারলেও অনিশ্চয়তা থেকে সহসাই মুক্তি মিলছে না। উল্টো আরো আর্থিক লেনদেন জড়িত থাকায় চলমান প্রক্রিয়া অভিভাবকদেরও চিন্তিত করে তুলছে।

দেশের কিছু কওমী মাদরাসা এই সময়ে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করার চিন্তা করছে এবং কিছু মাদরাসা ইতোমধ্যেই অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করার ঘোষণাও দিয়েছে। আদৌ সেটা অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম বলা যাবে কি না তা ঠিক বলা যাচ্ছে না; কারণ এক্ষেত্রে কেউই উপযুক্ত কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করছেন না।

সময়ের মূল্য বুঝতে আজকাল জীবনী পাঠের চেয়ে প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন কার্যকর বেশি।

গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বায়নের এই যুগকে আত্বস্থ করে নিজের মতো করে ব্যবহার করতে না পারলে সত্যিকার অর্থেই আমরা পিছিয়ে যাব। সুযোগ কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কম সময়ে বেশি কাজ করছে বহু মানুষ। সময়ের মূল্য বুঝতে আজকাল জীবনী পাঠের চেয়ে প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন কার্যকর বেশি।

করোনার এই সময়ে এসে যেখানে কওমী মাদরাসাগুলো অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধা করার চিন্তা করছে, সেখানে বাংলাদেশে প্রায় অর্ধ যুগ থেকেই অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করছে কলেজ-ভার্সিটিগুলো। যেহেতু কওমী মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাবনায় এখন এই পন্থা এসেছেই, তাই উচিত হবে কেবল করোনাকালের জন্য এই চিন্তা না করে স্থায়ীভাবে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করার সিদ্ধান্ত নেয়া।

ইমো বা হোয়াটসঅ্যাপে ফরমের ছবি পাঠিয়ে ভর্তি হওয়া বা করাকে মূলত ‘অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম’ বলা যায় না। অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া বিষয়টা মূলত অনেক ব্যাপক। কী কী প্রদক্ষেপ নিলে কওমী মাদরাসাগুলো প্রতিবছরই অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করতে পারবে, এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা আমি পেশ করছি।

অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করতে প্রাথমিক সক্ষমতা-

প্রথমত: প্রত্যেকটা মাদরাসায় নিজ নামে একটা কমার্শিয়াল ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে৷ ওয়েবসাইট নিজেরাও তৈরি করতে পারেন আবার কাউকে দিয়ে করিয়েও নিতে পারেন। যেভাবেই করা হোক, প্রাথমিকভাবে মোটামুটি অংকের একটা বাজেট এর পেছনে খরচ করতে হবে৷ মাদরাসার বৃহৎ স্বার্থে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ করে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে নিলে আগামীতে আমাদের জন্য ভর্তি কার্যক্রমসহ মাদরাসার অনেক কাজই সহজ হয়ে যাবে। গোটা পরিচালনা কার্যক্রমেই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করা যাবে। পরবর্তীতে বাৎসরিক একটা খরচ এই ওয়েবসাইটের পেছনে আসবে, সেটা খুব একটা বেশি হবে না। ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়লে এখান থেকে কিছু আয় করার সম্ভাবনাও থাকে।

দ্বিতীয়ত: ভর্তি কার্যক্রম সমাধান সহজ করার জন্য একটা সফটওয়্যার তৈরি করা যায়। এর পেছনেও একটা বাজেট ব্যয় করতে হবে। অবশ্য প্রতি বছর সফটওয়্যারের পেছনে আলাদা কোনো টাকা আর খরচ করা লাগবে না। ভালো কোনো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে সহজ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করা যায় এরকম একটা সফটওয়্যার তৈরি করে নিতে হবে।

তৃতীয়ত: মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে তুলনামূলক উদ্যোমী কমপক্ষে একজনকে প্রয়োজনীয় বিষয়ের উপর ট্রেনিং গ্রহণ করতে হবে, যেন ভর্তি কার্যক্রমসহ মাদরাসার আইটি রিলেটেড সাধারণ বিষয়গুলো তিনি সমাধা করতে পারেন।

চতুর্থত: ছাত্র/ছাত্রীদের আবেদন প্রক্রিয়া বুঝিয়ে দিতে হবে৷ সবকিছু প্রস্তুত করে একটা মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নিলে আশা করা যায় সবাই খুব সহজে আবেদন প্রক্রিয়া বুঝে নিবে। অথবা একটা বিস্তারিত সহজবোধ্য টিউটোরিয়াল ভিডিও যথেষ্ট হতে পারে।

বাস্তবায়ন পদ্ধতি-

অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া দুইভাবে হতে পারে।

১. প্রতিটি মাদরাসা নিজের মতো করে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করবে।

২. প্রত্যেক শিক্ষাবোর্ড এ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

এক. প্রতিটি মাদরাসা যদি ব্যক্তিগতভাবে বোর্ডের কোনো সহায়তা ছাড়া অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধান করে, তাহলে নিজ ওয়েবসাইটে সালানা ইমতেহানের রেজাল্টের পর, রমজানের পূর্বেই ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি পাবলিশ করে দিবে এবং প্রতিটি জামাতে কতজন ভর্তি নেয়া হবে সেটাও উল্লেখ করে দেয়া হবে। ছাত্ররা সে নীতিমালা অনুযায়ী পছন্দের মাদরাসায় ভর্তির জন্য আবেদন করবে। মাদরাসার কর্তৃপক্ষ আবেদন যাচাই-বাছাই করে যদি গ্রহণ করার মতো হয় তাহলে কোটা অনুযায়ী গ্রহণ করবে এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরেই আবেদনকারীকে জানিয়ে দিবে।

যদি গ্রহণ করার মতো না হয় তাহলেও কোন প্রকার কালক্ষেপণ না করে দ্রুতই শিক্ষার্থীকে তা জানিয়ে দিবে, যেন তার হাতে অন্য মাদরাসায় আবেদন করার পর্যাপ্ত সময় থাকে। এতে করে ভর্তি সংক্রান্ত মানসিক চাপ থেকে ছাত্ররা রমজানেই রেহাই পেয়ে যাবে। মাদরাসাগুলোও ছাত্রসংখ্যা জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে কিছুটা সময় হাতে পাবে।

দুই: বোর্ড যদি উদ্যোগ গ্রহণ করে তাহলে বিষয়টা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে৷ বোর্ডের ওয়েবসাইটে অধীনস্থ প্রতিটি মাদরাসার বিভাগ এবং জেলাওয়ারী একটা লিস্ট থাকবে। এই ওয়েবসাইট থেকে মাদরাসার নামে ক্লিক করে সে মাদরাসার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার সিস্টেম চালু থাকবে। ছাত্ররা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে পছন্দের মাদরাসা সিলেক্ট করে ভর্তির জন্য আবেদন করবে। একাধিক মাদরাসায় ভর্তির জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে৷ অনলাইনে আবেদন ছাড়া সরাসরি কোনো ভর্তি নেয়া যাবে না, এতে করে ফি কম দেয়ার বা ফ্রি ভর্তির সুযোগ থাকবে না। একান্ত গরীব ছাত্রদের জন্য অনলাইনে পৃথক ফর্ম পূরণের মাধ্যমে ভর্তি ফি মওকুফ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করে আবেদনের সুযোগও থাকবে। সবচেয়ে ভালো হবে যদি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিষয়টা আরো সহজ করে দেয়া যায়।

কাজ একেবারে কম না, আবার খুব একটা বেশিও না। মোটামুটি এই কাজগুলো করলেই আমরা মাদরাসার ভর্তি কার্যক্রমটা খুব সহজে সমাধান করতে পারব আশা করি। এছাড়াও অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করলে আরো অনেক পদ্ধতি বের হবে, সময়ে সময়ে আপডেট করে ভর্তি কার্যক্রম সহজ করার চিন্তা করতে হবে।

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা-

কওমী মাদরাসার ভর্তি পরীক্ষার বিদ্যমান পদ্ধতি মোটেও সময়োপযোগী নয়। বাচ্চাদের কিন্ডারগার্টেন ছাড়া আমার জানামতে গোটা বিশ্বের আর কোথাও, অন্য কোন শিক্ষাক্রমে এধরণের পদ্ধতির প্রচলন নেই। তবে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো না হলে এই দুরবস্থা থেকে উত্তোরন সম্ভব নয়। স্বীকৃতির কারণে অন্তত কাফিয়া পড়ে দাওরায়ে হাদীস পাশ করার পথটা রুদ্ধ করা গেছে।

অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ায় গোটা কর্মযজ্ঞ যেহেতু রমজানের আগেই শুরু করা সম্ভব, তাই ভর্তি পরীক্ষাও এই লম্বা সময়ের ভেতর সমাপ্ত করণ সম্ভব। প্রত্যেক আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হবে। ধরা যাক একজনকে সময় দেয়া হলো বিকাল ৩ টায়। সে ঠিক এই সময়ে আবেদনপত্রে দেয়া নাম্বারে ইন্টারনেট অন করে প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করবে। যথাসময়ে মাদরাসা থেকে তার কাছে ভিডিও কল করা হবে। একজন উস্তায, যার সামনে তখন স্ক্রিনে তার ভর্তি আবেদনের খুঁটিনাটি দৃশ্যমান থাকবে, তিনি তার মৌখিক ভর্তি পরীক্ষা নিবেন।

উপযুক্ত মনে হলে তিনি সাথে সাথেই মুহতামিম/দায়িত্বশীল উস্তাযকে অবহিত করবেন। তিনি সবুজ সংকেত দিলে ওয়েবসাইটের ভর্তিচূড়ান্ত তালিকায় সে ছাত্রের নাম উঠে যাবে ও স্বয়ংক্রিয় ভাবে তার দেয়া ইমেইল ঠিকানায় একটি কনফারমেশন বার্তা চলে যাবে যাবতীয় নির্দেশনাবলী সহ। নির্দেশিত সময়ে মাদরাসা খুললে সে এটা নিয়ে মাদরাসায় উপস্থিত হবে।

আর যদি তার পরীক্ষা মনঃপূত না হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথেই জানিয়ে দেয়া অথবা ওয়েবসাইটের অপেক্ষমাণ তালিকায় তার নাম উঠিয়ে দেয়া। প্রতিদিন এই তালিকা পর্যালোচনা করে তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সমাধানে লাভ ক্ষতির হিসাব-

মূলত সবাই একটাই প্রশ্ন করবে, যেভাবে চলছে এভাবে চললে তো অসুবিধা নেই, কেন অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করে মোটামুটি অংকের একটা টাকা এর পেছনে ব্যয় করব?

এ বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ। লাভ-ক্ষতির হিসাব না মিললে এটা করা তো অনর্থক হয়ে যাবে। মূলত বাহ্যিক যে প্রধান ক্ষতিটা দেখা যাচ্ছে, সেটা হলো মোটামুটি অংকের একটা বাজেট এর পেছনে ব্যয় করা এবং একজন বা দুইজন শিক্ষক এর পেছনে সময় দিলে তাদেরকে আলাদা একটা বেতন দেয়া। এছাড়া ক্ষতির কোনো দিক নেই। বিপরীতে লাভের হিসাব অনেক৷

প্রথমত: মাদরাসার শিক্ষিকদের উপরের চাপটা ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যারের উপরে দিয়ে যাবে। শিক্ষকদের সহযোগিতা করাসহ মাদরাসা পরিচালনার যাবতীয় বিষয়াদি সংরক্ষিত রাখার এটা একটা সহজ উপায়।

দ্বিতীয়ত: যেহেতু মাদরাসায় ভর্তির বেলায় কোনো এরিয়া নির্দিষ্ট নেই, ছাত্ররা যেখানে ইচ্ছা সেখানে ভর্তি হয়, এক্ষেত্রে সিলেটের ছাত্র ভর্তি হওয়ার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পর ভর্তির সুযোগ না হলে ফিরে আসা, এটা কখনো দুঃখজনক কখনো লজ্জাজনক। ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে সমাধানের সুযোগ থাকলে এই পরিস্থিতিতে ছাত্রদের পড়তে হবে না।

তৃতীয়ত: অনেক মাদরাসায় ছাত্ররা ভর্তি হতে চায় কিন্তু সেই মাদরাসায় তার পরিচিত কেউ না থাকায় সে মাদরাসার ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে সে জানতে পারে না। এতে করে সে আর ঐ মাদরাসায় ভর্তি হতে পারে না। বিশেষত নতুন এক পরিবেশে এক রুম থেকে আরেক রুমে দৌড়ানো, নির্দেশনা বুঝতে অসুবিধা হওয়া ইত্যাদি নানা অসুবিধার সম্মুখিন হওয়া থেকে সে বেঁচে যাবে। অনলাইনে সুযোগ থাকলে পরিচিত কেউ না থাকলেও সে তার ইচ্ছামত বাসায় থেকে আবেদন করতে পারবে।

তাছাড়া এক মাদরাসায় ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে যদি ভর্তির সুযোগ কোনো ছাত্র না পায়, তাহলে লজ্জায় অন্য মাদরাসায় আর যায় না বা যাওয়ার সুযোগ থাকে না। এতে করে অনেক মেধাবী ছাত্ররা ঝরে পড়ে। অনেক সময় কোন কারণে ভর্তির প্রথমদিন একটা মাদরাসায় ভর্তি হতে না পারলে দ্বিতীয়দিন অন্য একটি মাদরাসায় ভর্তি হতে গেলে শুরুতেই তার মেধা বা বিদ্যার প্রতি একটা নেতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায় কর্তৃপক্ষ। কখনো নানা প্রশ্নের মুখেও তাকে পড়তে হয়। অনলাইনে যদি ভর্তির আবেদন করা যায় তাহলে ঝরে পড়তে হবে না, অন্য কোনো ভালো মাদরাসায় আবেদন করে ভর্তি হওয়া তার জন্য অনেকটা সহজ হয়ে যাবে৷

সবমিলিয়ে এটি একটি ছাত্রবান্ধব পদ্ধতি। সেই সাথে মাদরাসা পরিচালনায়ও এই পদ্ধতিটি সহজতা আনবে। সবচেয়ে বড় কথা, এই যুগ এবং যুগের মানুষ আমাদের কাছ থেকে এরকম কিছুই আশা করছে। আমরা যদি এখনই কার্যকর কোন ব্যবস্থা না নেই, অগ্রসর চিন্তা না করি, তবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদেরকে অন্যভাবে স্মরণ করবে।

কওমী মাদরাসা সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে চিন্তা করার জন্য আমি আবেদন করছি।

লেখক: শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *