আইন মেনেই ঢাবি উপাচার্য নিয়োগ : শিক্ষামন্ত্রী

আইন মেনেই ঢাবি উপাচার্য নিয়োগ : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  ● ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি তার আইনি ক্ষমতাবলে এ নিয়োগ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর, সেই হিসেবে তিনি ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার নিয়োগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদ শূন্য হয়ে যায় গত ২৪ আগস্ট, এটি চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। সেই পদে নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করে আসা অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানকে সোমবার ওই ক্ষমতাবলে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

ভোট ছাড়াই উপাচার্য প্যানেল চূড়ান্ত করা নিয়ে সমালোচনা এবং কয়েকজন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটের করা মামলায় ওই প্যানেলের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যাওয়ার এক মাসের মাথায় সরকারের তরফ থেকে এ সিদ্ধান্ত আসে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানকে সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট তিনজনের একটি প্যালেন নির্বাচন করে রাষ্ট্রপতিকে দিতে পারে। সেখান থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে উপাচার্য করতে পারেন, নাও করতে পারেন। বাইরে থেকেও তিনি নিয়োগ দিতে পারেন। রাষ্ট্রপতি আইনি ক্ষমতাবলে নিয়োগ দিয়েছেন, নিয়োগে শর্ত যা লেখা থাকে তাই লেখা হয়েছে। এখানে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি। সিনেট সভায় উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, একটি মিটিং হয়েছিল। কিন্তু মামলা হয়ে সেই প্যানেলের কার্যক্রম স্থগিত আছে। উপাচার্য পদটি তো খালি হয়ে ছিল।

অধ্যাপক আখতারুজ্জামানকে নিয়োগের আদেশে সাময়িকভাবে নিয়োগের কথা বলে যেসব শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে নাহিদ বলেন, একজন সহকারীকে সাময়িক দায়িত্ব দিলে যেমন তাকে ভারপ্রাপ্ত বলা হয়, অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের নিয়োগ তেমন নয়। এটি ফরমেটের মত। আরেফিন সিদ্দিক যখন প্রথম দফায় সাময়িকভাবে উপাচার্য হলেন, তখন ওই শর্তগুলোই লেখা ছিল। সাময়িক নিয়োগ হলেও চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয়ার সময় যেসব শর্ত থাকে, নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রেও তাই আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *