বাংলাদেশের ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা জানতে চেয়েছে রাশিয়া

বাংলাদেশের ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা জানতে চেয়েছে রাশিয়া

বাংলাদেশের ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা জানতে চেয়েছে রাশিয়া

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাশিয়া বাংলাদেশের ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা জানতে চেয়েছে দেশের কয়েকটি কোম্পানির সেই সক্ষমতা আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, একইসঙ্গে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের ব্যাপারে তাদের কাছে চিঠিও পাঠানো হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন বাংলাদেশে পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বেক্সিমকোর চুক্তি হয়েছে। সরকারিভাবেও আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে চীন ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের আবেদন করেনি বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা রাশিয়াতে চিঠি পাঠিয়ে দিচ্ছি, ভ্যাকসিনের বিষয়ে রুশ অ্যাম্বসেডরও কথা বলেছেন। চিঠি অ্যাম্বাসির মাধ্যমে রাশিয়ার হেলথ মিনিস্টারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

রাশিয়া টিকা দেওয়ার বিষয়ে কোনো আভাস দিয়েছে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া জিটুজি করতে চায়, তারা বলেছে, বাংলাদেশে যদি ভ্যাকসিন তৈরি করার ফ্যাসিলিটি থাকে, তাহলে তারা দেশেও তৈরি করার জন্য অনুমোদন দিতে পারে।

বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি কোম্পানির সক্ষমতা রয়েছে ভ্যাকসিন তৈরি করার জন্য, উল্লেখ করেন জাহিদ মালেক। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন কি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা এ বিষয়টি এখনও বলেনি, আমরা অপেক্ষা করছি অক্সফোর্ড কী কী জানার আছে, বাংলাদেশের কাছে আরও বিশদ জানতে হবে।

অক্সফোর্ড ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা দেশ টিকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কি-না, জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আর কোনো দেশের অনুরোধ পাইনি, যারা টেস্ট করতে চায়।

জাহিদ মালেক বলেন, কোরিয়া আমাদের সঙ্গে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চায়। তারা সফলতার সঙ্গে করোনা ভাইরাস মোবাবিলা করেছে। কিন্তু আবার তাদের সংক্রমণ দেখা গেছে বড় আকারে। তারা বেশ কয়েকটি পিসিআর মেশিন ও কিট দেবে বলে চিঠি দিয়ে গেছে। কিছুদিন আগে সরকার যে অ্যান্টিজেন টেস্ট অনুমোদন করেছে, সেই অ্যান্টিজেন টেস্ট বিষয়ে সাহায্য করবে এবং সাত লাখ ডলারের কিটস আমাদের দেবে। যা কিছুদিনের মধ্যে আমাদের হাতে আসবে। অ্যান্টিজেন কিটস আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। কোরিয়ার কিটস পেলেই টেস্ট শুরু হয়ে যাবে। কোরিয়াতেও অ্যান্টিবডি টেষ্ট করা হয় না বলেও তারা জানিয়েছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *