পাঁচ মাসের মধ্যে এক দিনে করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু

পাঁচ মাসের মধ্যে এক দিনে করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬০০ জন। গত পাঁচ মাসের মধ্যে দৈনিক হিসাবে এটিই সর্বনিম্ন মৃত্যু। গত ২৮ মে দেশে ১৫ জন এবং ১৭ মে ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, আজ সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টা মারা যাওয়া ১৫ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬০৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আর শনাক্ত ১ হাজার ৬০০ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৫৯ জন।

এছাড়া একই সময়ের মধ্যে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ১ হাজার ৭৮০ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৯৯ হাজার ২২৯ জন হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত ৮ মার্চ। ২১ সেপ্টেম্বর তা সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়ে যায়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১০ অক্টোবর তা সাড়ে পাঁচ হাজারে দাঁড়ায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনে সর্বোচ্চ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১০৯টি ল্যাবে ১৪ হাজার ১০৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ২১ লাখ ২৬ হাজার ৫৫২ টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ০৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৭ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৯ জন, নারী ৬ জন। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

মৃতদের মধ্যে ১০ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ৩ জনের বয়স ছিল ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং ১ জন করে মোট ২ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ ও ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।

তাদের ৯ জন ঢাকা বিভাগের, ৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং ১ জন করে মোট ২ জন খুলনা ও সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৫ হাজার ৬০৮ জনের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৪ জনই পুরুষ এবং ১ হাজার ২৯৪ জন নারী।

তাদের মধ্যে ২ হাজার ৮৯১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ১ হাজার ৪৯৭ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৭০৮ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৩১৪ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১২৬ জনের ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৪৫ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ২৭ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।

এর মধ্যে ২ হাজার ৮৬৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ১২৮ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৩৬০ জন রাজশাহী বিভাগের, ৪৫৩ জন খুলনা বিভাগের, ১৯৩ জন বরিশাল বিভাগের, ২৩৯ জন সিলেট বিভাগের, ২৫৪ জন রংপুর বিভাগের এবং ১১৮ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

/এএ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *