নবীপ্রেমিকদের হৃদয়ে আগুন জ্বলছে
আমিনুল ইসলাম কাসেমী : নবীপ্রেমিকদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠছে আগুন।এমন আগুন প্রজ্বলিত হচ্ছে, যা সহজে নিভে যাবে না। সেই সাথে জেগে উঠছে মুমিনের ঈমানী জযবা। পৃথিবীতে এমন কোন শক্তি নেই, মুমিনের জযবাকে রুখে দিতে পারে। কেননা, ঈমান যখন জাগবে, তখন সে আর কোন কিছু পরওয়া করবে না।
ফ্রান্সে নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শানে ব্যঙ্গকার্টুন প্রচার করা হচ্ছে।একদম সরাসরি জনসম্মুখে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায়। এটা অন্যায়। মুসলমানগণ বিশ্বজুড়ে ছিন্নভিন্ন। এক নেক নেই। ফলে বিধর্মীদের আস্ফালন সীমা ছাড়াচ্ছে।
বড় পরিতাপের বিষয়, এমন সাহস তারা পেল কোথায়? এই বিশ্বে শত শত কোটি মুসলমান বেঁচে থাকতে। তাদের স্পর্ধা কত বড়। শত শত কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত করে তারা কোনদিন শান্তিতে থাকে পারবে না।
আজ পর্যন্ত নবীর শানে গোস্তাখী করে কেউ সুস্থ থাকতে পারেনি।অত্যন্ত নির্মমভাবে তার বিদায় হয়েছে। ঠিক, আজকের এই ফ্রান্স যে ধরনের বেয়াদবি শুরু করেছে, তাতে ওদের পতন ঘনিয়ে আসছে সন্দেহ নেই।
আমরা প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রাণাধিক ভালবাসি।প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের পেয়ারা হাবীবের প্রতি রয়েছে অকুণ্ঠ প্রেম- ভালবাসা। যে ভালবাসার কাছে দুনিয়ার সবকিছু তুচ্ছ।দুনিয়ার মহা মূল্যবান সম্পদ থেকেও প্রিয় নবীর ভালবাসা সবচেয়ে দামি।
এজন্য যুগে যুগে যখনই নবীর ইজ্জত নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের শেষ পরিণতি মোটেও ভাল হয়নি।অনেক বেইজ্জতির সাথে তাদের জীবনাবসান হয়েছে। প্রিয় মুসলিম মিল্লাত। আর বসে থাকা নয়। ঈমানদার মুসলমানদের জেগে ওঠার সময়। সব মুসলমানেরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐসব নবীর দুশমনদের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠতে হবে। তাই আসুন! আমরা সচেতন হই। নবীর দুশমনদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।
লেখক : কলামিস্ট


