পাথেয় ডেস্ক : প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে ইসরাইলের সঙ্গে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের স্পাইক ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এটিজিএম) চুক্তি বাতিল করেছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। কারণ, ঘরোয়া প্রযুক্তিতে ‘ম্যান-পোর্টেবল’ ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এমপিএটিজিএম) তৈরি হবে হায়দরাবাদের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানায়। গত আগস্টেই এই কারখানাটির উদ্বোধন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) সাফল্যের সঙ্গে তৈরি করেছে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নাগ এবং অনামিকা। ডিআরডিও আশাবাদী, আগামী তিন-চার বছরের মধ্যেই তৃতীয় প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ‘ম্যান-পোর্টেবল’ ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা যাবে। যার গুণমান ইসরাইলের স্পাইক এমপিএটিজিএম-এর সমতুল্য।
এর আগে ইসরাইলের কাছ থেকে আধুনিক প্রযুক্তির ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য মার্কিনস্থিত রেথিঅন-লকহিড মার্টিন সংস্থার সঙ্গে (জ্যাভেলিন এটিজিএম কেনার) চুক্তি বাতিল করেছিল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তৃতীয় প্রজন্মের এই ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আড়াই কিলোমিটার। এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাতেও নিখুঁত লক্ষ্যে আঘাত হানা সম্ভব। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে বর্তমানে যে ক্ষেপণাস্ত্রগুো রয়েছে, তা দিয়ে শুধু দিনের বেলায় লড়াই করা সম্ভব। তাছাড়া, ভারতীয় বাহিনীর কাছে এই মুহূর্তে ৬৮ হাজারেরও মতো ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কম রয়েছে। তাই, দেশজ পদ্ধতিতে উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রয়োজন পড়েছে। চীনের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানতে সক্ষম । একাধিক পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ডংফেং-৪১’ সম্ভবত আগামী বছরই চীনের সেনাবাহিনীর অস্ত্রভা-ারে যুক্ত হতে চলেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘ম্যাক ১০’-এর থেকে অনেক বেশি গতিসম্পন্ন। এটি একসঙ্গে ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। সেগুলো আবার আলাদা আলাদাভাবে আক্রমণ হানতে সক্ষম। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, সম্ভবত নভেম্বরের গোড়ায় পশ্চিমের মরুভূমিতে এই আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষা করা হয়। ২০১২ সালে প্রথম ঘোষণার পর থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অষ্টমবার পরীক্ষা করা হলো।
‘ডংফেং-৪১’-এর বর্তমান সংস্করণটি অনেক বেশি উন্নত ও কার্যকরী। চীনের বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি বিশ্বের যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম। অন্যদিকে রাশিয়ার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই ক্ষেপণাস্ত্রের মূল লক্ষ্য আমেরিকা। কারণ, আমেরিকার অধিকাংশ জায়গা এবং ইউরোপ এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে রয়েছে।


