তাড়াইলে আখেরী মোনাজাতে বিশ্ববাসীর করোনামুক্তির প্রার্থনা

তাড়াইলে আখেরী মোনাজাতে বিশ্ববাসীর করোনামুক্তির প্রার্থনা

তাড়াইলে আখেরী মোনাজাতে বিশ্ববাসীর করোনামুক্তির প্রার্থনা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বব্যাপী করোনার ছোবলে ভেঙেপড়া সমাজ যেন আবার দাঁড়িয়ে যায়, মানুষ যেন মহামারির এই তাণ্ডব থেকে মুক্তি পায়- আখেরী মোনাজাতে বিশেষ প্রার্থনায় স্মরণ করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, আওলাদে রাসূল হযরত ফিদায়ে মিল্লাত আসআদ মাদানী রহ.-এর খলিফা, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

লাখো আলেম-উলামা ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে বিশেষ মেনাজাতে দেশ এবং বিশ্বের মুসলমানের শান্তির জন্য দুআ করেন। মোনাজাতে স্মরণ করেন বিদেশ থেকে যারা লাইভেও দুআয় শরীক হয়েছেন তাদের জন্যও।

তাড়াইলের জামিয়াতুল ইসলাহ আল মাদানিয়া ময়দানে ১৯, ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এই তিনব্যপী ইসলাহী ইজতেমা আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

আখেরী মোনাজাতের আগে হিদায়াতি ফিদায়ে মিল্লাত আসআদ মাদানী রহ.-এর খলিফা, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, নারীকে আমরা সম্মান করতে জানি না। নবীজী ঘরের কাজও করে দিতেন তিনি। নারীর উপর আমাদের সহমর্মী হতে হবে। জিকিরের শব্দ ঘরেও পৌঁছে দিতে হবে।

পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ ‘আল্লাহ ও আল্লাহর নামের জিকির’ উল্লেখ করে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেছেন, আল্লাহ নামের জিকিরের স্বাদ, আল্লাহ নামের স্বাদ কখনো কমে না, বরং যত বেশি বেশি করবে ততো স্বাদ বৃদ্ধি পাবে। আল্লার নামের জিকিরে কখনো বিরক্তিও আসে না। যে ব্যক্তি যত বেশি জিকির করবে সে আল্লাহর কাছে ততো প্রিয় হতে থাকবে। দুনিয়া ও আখেরাতে আল্লাহ ও আল্লাহর নামের জিকিরের চাইতে মধুর কোন শব্দ নেই।

ইজতেমা শেষে বাড়িতে গিয়ে ইসলাহী ইজতেমার আমলগুলোর প্রতি সযত্নে থাকার কথা বলে আল্লামা মাসঊদ আগত মুসল্লীদের উদ্দেশে বলেন, ভাই! আমরা এখানে যেসব আমল করেছি, সেসব আমল যেন বাড়িতে গিয়ে ভুলে না যাই। আমাদের এই আমলগুলো যেন অভ্যাহত থাকে। আমরা এই আমলগুলো পরিবারের সবাইকে নিয়ে সবসময় করার চেষ্টা করবো, এই প্রতিজ্ঞা করি ইজতেমার ময়দানে বসেই।

স্ত্রীর কাজে, ঘরের কাজে সহযোগিতা করা আহ্বান জানিয়ে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, স্ত্রীর কাজে, ঘরের কাজে সহযোগিতা করা ইবাদত। ঘরের কাজে সহযোগিতা করে স্ত্রীকে ইবাদতের সুযোগ করে দেয়া পুরুষের দায়িত্ব। যে পুরুষ তার স্ত্রী কাছে প্রিয়, সে আল্লাহর কাছেও প্রিয়।

প্রসঙ্গত, আগামি বছর (২০২২) ১৮, ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি এই ইসলাহী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ইসলাহী ইজতেমা আয়োজক কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর কার্যকারী সভাপতি মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *