পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : হিজাব পরার কারণে কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়নি ছাত্রীদের। কলেজ গেটেই আটকে দেওয়া হয় তাদের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কর্ণাটকের এক কলেজে। এই ঘটনায় ভারতজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বাদ যাননি ভারতীয় কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ হলো ভারতীয় মেয়েদের ভবিষ্যৎ ‘ডাকাতি’ করা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
কর্ণাটকের কলেজে হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের ঢুকতে না দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কলেজছাত্রীদের কর্ণাটকের কলেজের অধ্যক্ষের কাছে হিজাব পরে ক্লাসে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিতে অনুরোধ করতে দেখা গেছে। পরে তা ভাইরাল হয়।
ওই ছাত্রীরা বলেন, আমাদের পরীক্ষার আর মাত্র দুই মাস সময় বাকি আছে। এ সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ হিজাব পরা নিয়ে কেনো ইস্যু তৈরি করছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, কর্ণাটকের কলেজে হিজাব পরার নিয়ম থাকলেও শ্রেণিকক্ষের ভেতরে হিজাব খুলে রাখার নির্দেশনা রয়েছে। গত বুধবার কিছু ছাত্রী হিজাব পরে কলেজে আসলে তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ছাত্রীরা হিজাব পরে আসায় কলেজের শতাধিক ছাত্র গেরুয়া চাদর পরে কলেজে আসে।
ঘটনার পর কলেজ প্রশাসন কুন্দাপুরের আইনপ্রণেতা (এমএলএ) হালাদি শ্রিনিবাসের সঙ্গে বৈঠক করে। কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কঠোরভাবে ইউনিফর্ম পরিধানের বিধান মানার বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু যারা সিদ্ধান্ত মানবে না, তাদেরকে কলেজে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।
এই ঘটনায় রাহুল গান্ধী এক টুইটে বলেন, মেয়েদের শিক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হিজাব। আমরা আসলে তাদের ভবিষ্যৎ ‘ডাকাতি’ করছি।
তিনি আরও বলেন, মা সরস্বতী আমাদের জ্ঞান দেন। তিনি কোনো ভেদাভেদ করেন না।


