পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতের কর্ণাটকের এক কলেজে গেরুয়া কাপড় হাতে পুরুষদের একটি উগ্র দলের সামনে দাঁড়িয়ে বোরখা ও হিজাব পরে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দিয়ে মুসকান খান বিনতে হুসাইন খান যে সাহসী অবস্থান দেখিয়েছেন—এর ভূয়সী প্রশংসা করে অভিনন্দন জানিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কেন্দ্রীয় সভাপতি, জানেশীনে ফিদায়ে মিল্লাত, আওলাদে রাসূল হযরত মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ আসআদ মাদানী।
মুসকান খানের এ অবস্থানকে সাহসী আখ্যা দিয়ে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কেন্দ্রীয় সভাপতি পাঁচ লক্ষ্য রুপী পুরস্কার ঘোষণা করেন। সেই সাথে তিনি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনাও জানান।
এনডিটিভি সূত্রে ও ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, কর্নাটকের পিইএস কলেজে হিজাব পরা একটি মেয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ করে। তাকে দেখে গেরুয়া কাপড় উঁচিয়ে স্লোগান দেয় একদল ছাত্র। তারা ‘জয় শ্রিরাম’ স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের গালি দিতেও শোনা গিয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়। কলেজ প্রশাসন মেয়েটিকে ঐ দল থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে মেয়েটি তাদের সামনেই মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দিতে থাকেন।
এ বিষয়ে মুসকান খান এনডিটিভিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমি তাদের ভয় পাইনি। আমি যখন কলেজে প্রবেশ করি তখন তারা আমাকে কলেজে ঢুকতে বাধা দেয় কারণ আমি বোরকা পরেছিলাম। তারা ‘জয় শ্রীরাম’ চিৎকার করতে শুরু করে। তাই আমি ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করতে লাগলাম। অধ্যক্ষ ও প্রভাষকরা আমাকে আমাকে রক্ষা করেছিলেন।
ঐ পুরুষ দলের ১০ শতাংশকে কলেজের শিক্ষার্থী বলে চেনা গেছে, বাকিরা বাইরের লোক বলে মনে হয়েছিল।
মুসকান খান বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার আমাদের শিক্ষা। তারা আমাদের শিক্ষাকে নষ্ট করছে।’


