পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পাকিস্তানভিত্তিক উগ্রবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাঈদের ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আাদালত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
জামাত উদ দাওয়া প্রধান হাফিজ সাইদকে দুটি মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। আদালত তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার এবং ৩,৪০,০০০ রুপি জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে।
এমনকি তিনি যেসব মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন সেগুলোও বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে কোনো কোনো প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
৭০ বছর বয়সী হাফিজ সাইদের আগেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের একাধিক মামলায় সাজা দেওয়া হয়। ২০২০ সালেই তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করেছেন। তাকে গৃহবন্দিও রাখা হয়।
২০১৯ সালে ইমরান খানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে তাকে গ্রেফতার হয়। সে সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে জানিয়েছিলেন, ১০ বছর অনুসন্ধানের পর সাঈদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে হাজির হওয়ার জন্য লাহোর থেকে গুজরানওয়ালায় যাওয়ার সময় সাঈদকে পাঞ্জাবের কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) গ্রেফতার করে।
যুক্তরাষ্ট্রের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির মতে, ২০০১ সাল থেকে সাঈদকে আটবার গ্রেফতার করা এবং ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২০১৭ সালে হাফিজ সাঈদ এবং তার চার সহযোগীকে আটক করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু পাঞ্জাবের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বোর্ড তাদের বন্দিত্বের মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকার করায় প্রায় ১১ মাস পর মুক্তি পান তারা।
২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এই সাঈদই ছিল বলে দাবি ভারত সরকারের। ওই হামলায় ১৬০ জনের বেশি নিহত হয়েছিল।


