পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : একই দিনে ৪১ অতিরিক্ত কর কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। তাদের অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কথা বলা হয়েছে।
গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর প্রশাসন থেকে এক চিঠিতে এই বদলির আদেশ দেয়া হয়। এক সাথে এত কর কর্মকর্তা বদলির নজির কম। কর কর্মকর্তারা বলছেন, গত মে ও জুনে আন্দোলনের জেরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে। অবশ্য গত জুলাই থেকেই বদলি শুরু হয়েছে। এনবিআরের যেসব কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে, ঢাকার বিসিএস (কর) একাডেমির পরিচালক হাফিজ আল আসাদকে ঢাকার কর অঞ্চল-২০ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১, শেখ শামীম বুলবুলকে নরসিংদী কর অঞ্চল, ছায়িদুজ্জামান ভুঞাকে নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চল, বেগম হাসিনা আক্তার খানকে গাজীপুর কর অঞ্চল, মর্তুজা শরিফুল ইসলামকে ঢাকার কর অঞ্চল-৬, মোহা: আব্দুস সালামকে ঢাকার কর অঞ্চল-১, মো: নাসেরুজ্জামানকে ঢাকার অঞ্চল-২, মো: মিজানুর রহমানকে চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-১, মো: নাঈমুর রসুলকে চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-২, ফখরুল ইসলামকে খুলনা কর অঞ্চল, আশরাফুল ইসলামকে ঢাকার কর অঞ্চল-৩, মোহাম্মদ শাহ্ আলমকে ঢাকার কর অঞ্চল-৪, মির্জা মোহাম্মদ মামুন সাদাতকে ঢাকার কর অঞ্চল-১১, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে খুলনা কর আপিল অঞ্চল, মিজানুর রহমানকে ঢাকার কর অঞ্চল-১৫, মো: মঈনুল হাসানকে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা
এর আগে সোমবার সব মিলিয়ে ৯ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা ও সুলতানা হাবীব; যুগ্ম কর কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন খান ও মামুন মিয়া; সিআইসির পরিচালক চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, খুলনার মোংলার কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আবুল আলা মোহাম্মদ আমীমুল ইহসান খান, চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির যুগ্ম কমিশনার সানোয়ারুল কবির ও খুলনার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের উপকমিশনার সাইদুল ইসলাম।
আন্দোলনের জেরে এনবিআর সদস্য থেকে প্রহরী পদবি পর্যন্ত গত দেড় মাসে সব মিলিয়ে ৩৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।


