পাথেয় রিপোর্ট : আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, ঐক্যবদ্ধ থাকবো মন্তব্য করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, ঐক্যবদ্ধ থাকবো। সমবেত হয়ে সিদ্ধান্ত নেবো অন্যায় থেকে দেশকে মুক্ত হতে হবে। আমাদের সবাইকে মিলে পাহাড়াদার হতে হবে। সুষ্ঠু ভোটের জন্য শপথ নিন। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন কারো সঙ্গে আপোষ করবেন না।
৬ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।
ড. কামাল হোসেন বলেন, আমি কোনো দলের সদস্য হিসেবে বলছি না। দেশের মালিক হিসেবে আপনারা দাঁড়িয়ে যান। যেভাবে মানুষকে বন্দি করা হচ্ছে এভাবে এটা করা যায় না। এসব অবৈধ, অপরাধ। এসব থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার বলেছিল ৫ জানুয়ারির পর আরেকটা নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু তারা দিলেন না। একবছর, দুইবছর করে পুরো ৫ বছর ক্ষমতায় থাকলেন। এই সরকারের কথায় এক পয়সাও দাম নেই। ৫ জানুয়ারের নির্বাচনের মাধ্যমে তা প্রমাণ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশে গণতন্ত্রের কথা বলে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন। আমাদের বাঁচার উপায় হলো জনগণকে দাঁড়াতে হবে। বাস বন্ধ করে, ট্রেন বন্ধ করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে আন্দোলন করা যাবে না।
ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় গুম-খুন-গ্রেপ্তার করলে আন্দোলন থেমে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অভিযান চালাচ্ছে। বিএনপির একজন নেতা-কর্মীকেও ঘরে থাকতে দিচ্ছে না।
মির্জা আব্বাস বলেন, সামনে প্রলয় আসছে, চোখ বন্ধ করে থাকলেও এই প্রলয় বন্ধ হবে না। আর মাত্র কয়েকটি দিন আন্দোলন করবো এবং এই সরকারকে জায়গামতো পাঠিয়ে দেব। হায়নার হাত থেকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে বলে মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।
সভামঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন ফারুক, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আহমেদ আযম খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম প্রমুখ।


