মাসউদুল কাদির ● আল্লামা মাসউদের সাহসি উচ্চারণের কারণেই গ্রীকমূর্তি অপসারণে ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মূলত আয়োজন ছিল প্রায় এককোটি মানুসের চোখের শীতলতা আর বিগত সাতচল্লিশ বছরে যারা অশিক্ষিত হিসেবে পরিচিত সেই কওমি মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি। পড়ালেখার সুউচ্চমার্গ স্পর্শ করেও তারা কাগজেকলমে অশিক্ষিতই থেকে যান। সবশেষে স্বীকৃতির ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঞ্চ সাজানো হয়েছিল স্বীকৃতি ঘোষণা দেওয়ার জন্যই।
মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে দেশের প্রতিনিধত্বশীল আলেমদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার আগে অনেকেই কথা বললেন। কিন্তু কেউই স্বীকৃতির বাইরে কথা বলেননি। একটু আলাদাই স্বীকৃতি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি মঞ্চে এলেন, নিরব নিস্তব্ধ পরিবেশ। সালাম বিনিময় করে শুরু করলেন তার বক্তৃতা। গ্রীকদেবীর মূর্তির ক্ষত মুসলমানদের হৃদয়ে ঘাতপ্রতিঘাত করে চলেছে বলে মন্তব্য করলেন। সমবেত আলেমগণ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে শুনলেন তার এই ঘোষণা। তিনি বললেন, গ্রীকমূর্তি অপসারণ করে মুসলমানদের হৃদয়ে ক্ষত দূর করুন।
বক্তৃতা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যুজ্জ্বল এক আলোচনার রেশ টেনে গ্রীকদেবির বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথাও ঘোষণা করলেন। আল্লামা মাসঊদের বক্তব্যের উপর ভিত্তি করেই গ্রীকদেবির মূর্তি পোশাক নিয়ে তাচ্ছিল্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রীকদের পোশাক তো আর শাড়ি নয। তাদের পোশাকাচার তো ভিন্ন। কিন্তু কি করে এই মূর্তি এলো আবার তার গায়ে পরিয়ে দেয়া হলো শাড়ি। আল্লামা মাস্ঊদের বক্তব্যের রেশ ধরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই গ্রীকমূর্তি অপসারণ করা হবে। আপনারা আমার উপর আস্থা রাখুন। আমরা পারিবারিকভাবেই ধর্ম পালন করি। বঙ্গবন্ধুও ইসলাম পরিপালনে বিশ্বাসী ছিলেন। ইসলামের জন্য তিনি কাজ করে গেছেন।


