কাশ্মীরে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

কাশ্মীরে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

কাশ্মীরে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে সেখানে কেন্দ্রের শাসন জারির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধাও বন্ধ করে দেয় মোদি সরকার। গত ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে সেখানে কেন্দ্রের শাসন জারি করা হয়। এর বিরোধিতা করে ফুঁসে ওঠে কাশ্মীরের জনতা।

আন্দোলন রুখতে বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েনসহ ওই অঞ্চলের ইন্টারনেটসেবা, সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয় মোদি সরকার।

এর পর গত চার মাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও কাশ্মীরে ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা রয়েই গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার কাশ্মীরিদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে নেয়া স্ক্রিনশট টুইটারে পোস্ট করেছেন অনেক ভারতীয়। সেসব স্ক্রিনশটে দেখা গেছে, বিভিন্ন গ্রুপ থেকে কাশ্মীরি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহকরা বেরিয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, কাশ্মীরে সোশ্যাল মিডিয়া হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের কোনো নিদের্শনা নেই ভারত সরকারের। হোয়াটসঅ্যাপের নীতি অনুযায়ীই এটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

নীতি অনুযায়ী, ১২০ দিন ধরে হোয়াটসঅ্যাপে কারও অ্যাকাউন্টে কোনো বার্তা আদান-প্রদান বন্ধ থাকলে সেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আর কাশ্মীরে ইন্টারনেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা ইতোমধ্যেই ১২০ দিন পেরিয়ে গেছে। তাই এ সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় কাশ্মীরিদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেন, ১২০ দিন নিষ্ক্রিয় থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। নিরাপত্তা ও তথ্য মজুদ রাখার ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখতেই এই পদক্ষেপ। এখানে আমাদের করার কিছুই নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্টারনেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কারণে কাশ্মীরিদের ডিজিটাল উপস্থিতির বড় অংশ হারিয়ে যাচ্ছে, যা তারা খেয়াল করছে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *