পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কুরআনুল কারীম হিফজ করার জন্যে শিশুদেরকে উৎসাহী করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন জামিআ আরাবিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দেওবন্দ দিল্লি মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সাঈদুদ্দীন কাসিমী। তিনি বলেন, কুরআন শরীফ তেলাওয়াত ও কুরআনুল কারীম হিফজ করা ইবাদাতের অন্তর্ভুক্ত। শিশুদের অন্তরে কুরআন হিফজের প্রতি উৎসাহ যোগাবে।
সাঈদুদ্দীন কাসিমী বলেন, মাদ্রাসা হচ্ছে দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র। ইসলামের মারকাজ। তাই মাদ্রাসার হেফাজত করা, মাদ্রাসার উন্নতির জন্যে চেষ্টা করা আমাদের ধর্মীয় কাজ। আর প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব পালান করা ইবাদাত। শিক্ষকদেরকে নিজেদের জিম্মাদারী সঠিক ভাবে পালন করার কথা বলেন তিনি।
২১ আগস্ট শুক্রবার ভারতে ডেইলি পত্রিকা হামারা সমাজে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় ভারতে প্রসিদ্ধ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায়ে বাবুল উলুমের মজলিসে আমেলার পরামর্শ সভা অনুষ্ঠানে মাওলানা সাঈদুদ্দীন এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মুফতি জাফরুদ্দীন কাসিমী বলেন, মুসলমানদের আদর্শবান হওয়া উচিৎ। ভারতের পরিস্থিতি এখন মুসলমানদের অনুকূলে নয়। মুসলমানদের আদর্শ দেখে যেন হিন্দুরা মুগ্ধ হয়, ইসলামের দিকে আকৃষ্ট হয়। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদেরকে আদব ও তারবিয়াতের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ার কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ মুসলিম কাসিমী, অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ আনজার আহমদ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শানে নাত পরিবেশন করে মাওলানা ইরফান আহমদ। দুআ করেন মাওলানা সাঈদ উদ্দীন কাসিমী।
মজলিসে আমেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আতাউর রহমান, মুফতি ফারুক আহমদ, মুফতি কাফিলুর রহমান কাসিমী, মাওলানা আব্দুস সামী, কারী মোহাম্মদ আনোয়ার, কারী মোহাম্মদ আরিফ কাসিমী, কারী দিলশাদ আহমদ, কারী মোহাম্মদ শহীদ, মুফতি খান আহমদ, হাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কারী আহরারুল হক, মাওলানা মোহাম্মদ তালহা, হাফেজ সিরাজুদ্দীন, কারী মোহাম্মদ আরশাদ প্রমুখ।
অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ
সূত্র : হামারা সমাজ, উর্দু ডেইলি পত্রিকা, দিল্লী
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


