গণপিটুনিতে শহীদ খাবির সেখের পরিবারের পাশে হিন্দ জমিয়ত
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : জমিয়তে উলামা হিন্দের পশ্চিম বাংলার শীর্ষ আলেমগণ সরাসরি বুধবার বহরমপুরের লালদিঘির একটি হেলথ ক্লিনিকে গণপিটুনিতে নিহত রাজমিস্ত্রী শহীদ আব্দুল খাবির-এর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।শোকসন্তপ্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তারা সাক্ষাৎ করেন। পরিবারকে আশ্বস্ত করেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দেন। জানা গেছে, উলামায়ে কেরাম এই বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোয় অন্যান্য মুসলমানদের মধ্যে একটা সাহসের সঞ্চায় হয়। আলেমগণ শহীদ আব্দুল খাবিরকে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দাবি করেন।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুস সালামের পরামর্শে গণপিটুনিতে নিহত রাজমিস্ত্রী শহীদ আব্দুল খাবির-এর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সময় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন, জেলা জমিয়তে উলামার সম্পাদক মুফতি রায়হানুল ইসলাম, সহ সভাপতি মাওলানা বদরুল আলম, সহ সম্পাদক তথা জেলা ইমাম মাওলানা নিজামুদ্দীন বিশ্বাস, কোষাধ্যক্ষ ইয়ার আলি, বহরমপুর ব্লক সম্পাদক মাওলানা মানুয়ার হোসেন, সভাপতি আঃ জলিল, হাসিবুল ইসলাম (পপুলার ফ্রন্ট সভাপতি), মাওলানা উবাইদুল্লাহ, নুর মোহাম্মদ, ক্বারী রহমতুল্লাহ, মাওলানা আহমাদ, মাওলানা আসাদুজ্জামান, মাওলানা নাসিবুর, হাফেজ জাকির প্রমুখ।
এ সময় প্রতিনিধি দল শোকসন্তপ্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার এবং আইনী পরামর্শ দেওয়ার আশ্বাস দেন। সকলকে শান্ত থাকার এবং আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন।
প্রতিনিধিরা শহীদ আব্দুল খাবির-এর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বহরমপুর থানায় হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায়।
উল্লেখ্য, পেশায় রাজমিস্ত্রি খাবির শেখ বুধবার বহরমপুরের লালদিঘির একটি হেলথ ক্লিনিকে আসেন। সেখানে ক্লিনিকের কর্মীরা ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ আছে। শুধু তাই নয়, তাকে হাত পা বেঁধে ব্যাপক মারধর করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তার। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চিকিৎসকের সহযোগী এবং ক্লিনিকের মালিককে আটক করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ।


