জনসমক্ষে সাজা ও একটি বর্বর জাতির গল্প
এবিসি জাবের : এই যে জনসমক্ষে সাজা দেওয়ার আলাপ ভেসে বেড়াচ্ছে আকাশে বাতাসে এবং বুদ্ধিজীবিদের টক শো তে, ভাবছি বর্বরতার তকমা লাগে কিনা তাদের উপর!
না মানে কদিন আগেও তো খুশিতে ঠ্যালায় নবী মুহাম্মদ স. এর আনীত শরীয়তের প্রকাশ্যে কঠিন সাজা বাস্তবায়ন নিয়েও চায়ের দোকান ও বাসের সিট গরম করছিলাম আমরা প্রগতিশীল পাড়ায়!
অনলাইনের হৈ হুল্লোড় না হয় বাদই দিলাম!
-অপরাধ গুরুতর ও সামাজিক ব্যাধি যখন তখনই কেবল গুরুদণ্ড ও জনসমক্ষে সাজার আলাপ করে ইসলাম।
ধর্ষণের সাজা প্রমাণ সাপেক্ষে পাথর মেরে হত্যা। বিষয়টা আসলেই বিভত্স কিন্তু ধর্ষণ কি দর্শনীয়?
বি. দ্র. সাজা দিয়ে অপরাধীকে মেরে ফেলাতে ইসলাম মানবিকতার চর্চা বলে জানে না বরং শুধরানোর সুযোগ দেয়। আর আইনের কঠোর অবস্থানের লক্ষ্য আইন প্রয়োগে দুনিয়া সাফ করা নয় বরং সতর্ক করা।
আর তাই এই ইসলামের কিসাস বিধানের বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত এতো কড়া যে পুরো ইসলামি শাসনকালে এইরূপ ঘটনা হাতে গোনা অথচ অপরাধ প্রবণতা সেদিনও যা ছিল আজও তাই আছে। ফারাক কেবল সামাজিক অবকাঠামোতে। সামাজিক পাপ সামাজিক ফাঁকফোকর এর কারণেই ঘটে। যৌক্তিক বিচারে আল্লাহর বিধান বরাবরই উত্তীর্ণ।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে নারীবাদী বনাম মৌলবাদী আলাপের উর্ধ্বে উঠে জুমার মিম্বর হয়ে উঠুক একেকটা সচেতনতা কেন্দ্র!
লেখক : সমাজ বিশ্লেষক


