তফসিল ও নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ : ইসি সচিব

তফসিল ও নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ : ইসি সচিব

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : তফসিল ও নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এখনো কোনো আলোচনাই হয়নি’ তাই এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবেন না। এ সময় অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেলালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তফসিল ও নির্বাচনের তারিখ নিয়ে কে বা কারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, এটা ঠিক নয়, তাদের অনুরোধ করব তারা যেন বিভ্রান্তি না ছড়ায়।

বিভ্রান্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের সচিব বলেন, তফসিল ও নির্বাচন কবে হবে এগুলো নিয়ে আলোচনাই হয়নি। ১ নভেম্বর বিকাল ৪টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবে কমিশন। তারপর নির্বাচনের তফসিল ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, রেওয়াজ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে থাকেন। ৪ তারিখে কমিশন সভায় বসবো কিনা এটা এখনও ঠিক হয়নি। ১ তারিখে আমরা জানতে পারবো কবে বৈঠকে বসবো। নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ, আপনারা জানেন একজন মাননীয় নির্বাচন কমিশনার দেশের বাইরে রয়েছেন। উনি এলে পরে সবাই মিলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, কবে নির্বাচন হবে এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ, এতে বিভ্রান্তি ছড়ায়। সুতরাং যতক্ষণ না কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ততক্ষণ আমরা বলতে পারছি না।

এদিকে আরপিও সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, চলতি সংসদে আরপিও না উঠলে অধ্যাদেশের মাধ্যমেও এটি পাস করা হতে পারে। পরে পরবর্তী সংসদের প্রথম অধিবেশনে এটি পাস করা হবে। তবে আমরা আশাবাদী চলতি সংসদেই এটি উঠবে।

উল্লেখ্য, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদা। আগামী ১ নভেম্বর সাক্ষাৎ করবেন তিনি। এরপর ৪ নভেম্বর কমিশন সভার আহ্বান করা হয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, এই কমিশন সভায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করা হবে। তফসিল চূড়ান্ত করার পর, সভা শেষে সিইসি ভাষণ দেবেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তিনি। প্রথা অনুযায়ী, সিইসি জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোসণা করেন। তাহলে সেই ভাষণেই কি জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে? এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। ভাষণের লিখিত কপি প্রস্তুত করে এরই মধ্যে সিইসির কাছে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন বলে কথা। সবার আগ্রহের পারদ এখন সংশ্লিষ্ট সব কিছুতেই। তাই এ ভাষণই কি জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কি না তাই এখন অপেক্ষার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *