পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পুনঃতফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৩০ ডিসেম্বর করার ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
১২ নভেম্বর সোমবার রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দিনব্যাপী ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রদর্শনীর উদ্বোধনের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা নতুন এই তারিখ ঘোষণা করেন। জানা যায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্টসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভোটের নতুন তারিখ নির্ধারণ করল নির্বাচন কমিশন।
এদিকে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৯শে নভেম্বরের পরিবর্তে ২৮শে নভেম্বর করা হয়েছে।
এর আগে নির্বাচন নিয়ে চলা মতপার্থক্য আর বিতর্কের মধ্যে ৮ই নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তবে বিরোধী রাজনৈতিক জোট, অর্থাৎ বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সংসদ ভেঙে দিয়ে মেয়াদ পূর্তির পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল। সেজন্য তারা তফসিল পেছানোরও দাবি করেছিল।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোট নির্বাচনের তারিখ না পেছানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু তাদের দাবি না মেনে ৮ই নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন।
রোববার বিভিন্ন দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোটের তারিখ নতুন করে নির্ধারণ হবে কি না, কিংবা তফসিল পুনর্নির্ধারণ হবে কি না, জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, এ ব্যাপারে কাল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে দুপুরে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম রংপুরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তফসিল পোছানোর বিষয়ে কমিশন সদস্যরা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।
আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যান্য দল ও জোটের নির্বাচন পেছানোর দাবি সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, এখনতো বলতে পারব না। যেহেতু আমরা এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি। আমাদের সঙ্গে এগুলো নিয়ে কথাই হয়নি। সরকারি দলও নির্বাচন পেছানো যেতে পারে বলে জানিয়েছে। বিষয়টি সিইসির নজরে আনলে তিনি বলেন, এ খবরটিও আমরা পাইনি।
বিএনপি বলছে নির্বাচনে আসবে, আপনিও চেয়েছেন সব দল নির্বাচনে আসুক এ বিষয়ে সিইসি বলেছিলেন, এখনও চাই। আমরা অবশ্যই চাই সব দল নির্বাচনে আসুক। তবে কখন কোথায় কি করা হবে না হবে সেটি এখনি কিছুই বলতে পারব না। কারণ কারো সঙ্গেই এ বিষয়ে কথা হয়নি।


