পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বকে হতাশ করেছে কলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। তিনি বলেন, যতদিন মুসলমানসহ সব শ্রেনীর মানুষ ন্যায় এবং স্বাধীনতা রক্ষার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবেন ততদিন পর্যন্ত ফিলিস্তিনের অস্তিত্ব টিকে থাকবে। পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাস পরিদর্শনে যেতে তিনি নিজ জাতিকে উৎসাহিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে এর্দোগান বলেন, অবৈধ দখলদাররা যাতে এ পবিত্র শহরের মর্যাদাহানি করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
২৮ নভেম্বর বুধবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি’র ‘অর্থনীতি ও বাণিজ্য সহযোগিতা’ শীর্ষক ৩৪তম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব মন্তব্য করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের মোকাবেলায় ফিলিস্তিনিদের আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রতি সমর্থন দিতে সকল স্বাধীনতাকামী লোকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
পার্সটুডের সূত্রে জানা যায়, ফিলিস্তিনি জাতির পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে মুসলিম বিশ্বের প্রতিশ্রুতির প্রতি গুরুত্বারোপ করে তুর্কি প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যে বলেন, যতদিন মুসলমানসহ সব শ্রেনীর মানুষ ন্যায় এবং স্বাধীনতা রক্ষার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবেন ততদিন পর্যন্ত ফিলিস্তিনের অস্তিত্ব টিকে থাকবে। পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাস পরিদর্শনে যেতে তিনি নিজ জাতিকে উৎসাহিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে এর্দোগান বলেন, অবৈধ দখলদাররা যাতে এ পবিত্র শহরের মর্যাদাহানি করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনিদের বায়তুল মুকাদ্দাসকে অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং আমেরিকার দূতাবাস তেল আবিব থেকে সরিয়ে মুসলমানদের এ পবিত্র শহরে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।
এদিক কিছুদিন আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান তার মন্ত্রীদেরকে মার্কিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মিকিনজে থেকে অর্থনৈতিক পরামর্শ না নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমেরিকার সঙ্গে তার দেশের অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সম্প্রতি খবর বের হয়েছে, তুরস্কের চলমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য নিউ ইয়র্কের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মিকিনজের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার চেষ্টা করেছেন তুর্কি মন্ত্রীরা। আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েনের জের ধরে মার্কিন সরকার তুরস্কের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা ও বহুসংখ্যক পণ্যের ওপর মারাত্মকভাবে শূল্ক আরোপ করেছে। এর ফলে দেশটির মুদ্রা ‘লিরা’র মান ডলারের বিপরীতে শতকরা ৪০ ভাগ কমে গেছে।

