লালমনিরহাট প্রতিনিধি : ব্রিটিশ আমলের বগি দিয়েই চালানো হচ্ছে লালমনিরহাট রেল বিভাগের আওতাধীন অর্ধশতাধিক ট্রেন। ইতোমধ্যে এ বিভাগের আওতাধীন ১৬টি স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। নিরাপদ যাত্রার জন্য উত্তরাঞ্চলের ভরসা এখন রেলপথ। পশ্চিমাঞ্চলীয় লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের আওতায় ৮০টি স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে ৬২টি ট্রেন। এতে বেড়েছে রাজস্ব আয়। কালের পরিক্রমায় এ বিভাগে ট্রেনে রাজস্ব আয় বাড়লেও সে তুলনায় বাড়েনি যাত্রী সেবার মান। জনবল সংকট, স্টেশন ও ট্রেন বন্ধসহ নানাবিধ সমস্যা যেন কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না। নানা সংকটে বিভিন্ন সময় বেশ ক’টি ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখন একটির পর একটি স্টেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শুধু লালমনিরহাট-বুড়িমারী রুটেই বন্ধ হয়ে গেছে ৬টি স্টেশন। লালমনিরহাট-সান্তাহার সেকশনে ২৯টি রেলস্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে মহেন্দ্রনগর, চৌধুরানী, হাসানগঞ্জ, নলডাঙ্গা, কামারপাড়া, কূপতলা, বাদিয়াখালী, মহিমাগঞ্জ, সুখানপুকুর, আলতাফ নগর, নশরতপুর, পাঁচপীর মাজারসহ ১৬টি স্টেশন বিভিন্ন সময়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসাকেন্দ্রের স্টেশনগুলো থেকে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হতো। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। লালমনিরহাট রেল বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, ঠিক সময়ে ট্রেন চলাচল করতে প্রতিদিন ২৮টি ইঞ্জিনের প্রয়োজন। সেখানে জোড়াতালি দেয়া মাত্র ২২টি ইঞ্জিন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে। তবে, সঙ্কট নিরসন হলে যাত্রী সেবার মান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব আরও বাড়বে। পাশাপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে রেল ভ্রমণ।


