সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগে গ্রেফতার আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে খারিজ
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পুলিশের গাড়িতে হামলার ভুয়া অভিযোগে আব্দুল মালেক গ্রেফতার হয়ে তিন বছর পর জমিয়তে কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সায়্যিদ মাওলানা মাহমুদ মাদানীর নেতৃত্বে তিন বছর পর ছাড়া পেলেন। কয়েকবছর আগে পুস্ত শহরে পুলিশের গাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া আব্দুল মালেকের তিন বছরের সাজা শেষে বিশেষ আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।
গত চারবছর আগে পুলিশের গাড়িতে হামলার ভুয়া অভিযোগে আব্দুল মালেককে গ্রেফতার করা হয়। অতপর তিন বছর কারাভোগ করে বিশেষ আদালতে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। ফলে বিশেষ আদালতের রায়ে তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
এ বিষয়টি গণ্যমাধ্যমকে জানিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ মহারাষ্ট্র শাখার মহাসচিব মাওলানা নাদিম সিদ্দিকী।
জানা যায়, গত চার বছর আগে ২৫ শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইং ওই শহরের একটি অনুষ্ঠান থেকে পুলিশ আব্দুল মালেককে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে বিশেষ আদালতে মামলা দায়ের করা হলে সংবিধানের ৩০৭ ধারা মোতাবেক ১৬.১৮.২০তম অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী এ সাজা দেওয়া হয়। মামলার শুরু থেকেই জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ মহারাষ্ট্র শাখার লিগ্যাল টিম এর তদারকি করে আসছিল।
এ সম্পর্কে মহারাষ্ট্র শাখার আইনজীবী পাঠান তুর খান বলেন, আমরা আইনিভাবে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়েছি। সরকার পক্ষের আনা সকল অভিযোগ ইতোমধ্যে আদালতে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। আব্দুল মালেকের মামলা নম্বর ১৮৬,২০১৬ থেকে তিনি সসম্মানে মুক্তি পেয়েছেন। যেহেতু তিনি তিন বছর কারাবরণ করেছেন। তাই আগামী ঈদুল ফিতরের পূর্বেই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন এবং তিনি পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।
এ সম্পর্কে জমিয়তে উলামা হিন্দ মহারাষ্ট্র শাখার মহাসচিব মাওলানা নাদিম সিদ্দিকী বলেন, আমরা এই মামলায় বিজয় অর্জন করেছি। দেশে এখনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত আছে। আমরা শুরুতেই বিষয়টি জমিয়তে কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সায়্যিদ মাওলানা মাহমুদ মাদানীকে জানিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, এই আকাবিরদের দেখানো পথ অবলম্বন করেই আজ আমরা সফলতা অর্জন করেছি।
তিনি জমিয়তের মহারাষ্ট্র শাখার আইনজীবীদের কৃতজ্ঞতা আদায় করে বলেন, তাদের নিষ্ঠা ও ত্যাগ তিতিক্ষার ফল আমরা পেয়েছি। বিশেষভাবে আমি লিগ্যাল টিমের আইনজীবি পাঠান তুর খান, আইনজীবি দিলদার খান ও আইনজীবী সিদ্দিক শেখ কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আহমাদ কাশফী
সূত্র : হামারা সমাজ, জমিয়তে উলামা হিন্দ দিল্লী অফিস
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

