সঙ্গ নিই, সঙ্গী হই, কবিতায় মুগ্ধ রই
কাদির চৌধুরী বাবুল : কবিতার একটি নিজস্ব ভাষা আছে। কবিরা কথা বলেন কবিতার ভাষায়। প্রেম, প্রতিবাদ, বিদ্রোহ সকল ক্ষেত্রেই কবি কবিতার ভাষায় কথা বলেন। তিনি বিদ্রোহ করেন কাগজে কলমে। সে বিদ্রোহ ছড়িয়ে যায় দিগন্ত পেরিয়ে সীমারেখার ওপারে। অকবি কিংম্বা কবির চেতনা নেই কোনো নর বা নারী কবিতার ভাষা বুঝে না, তাদের কাছে কবিতা মূল্যহীন। তাদের নিকট কবিরা মূল্যহীন; একটুকরো ফেলনা কাগজ ছাড়া কিছুই নয়।
এসেছেন ওপার বাংলার তিন জনপ্রিয় কবি সুবীর সরকার, কবি শৌভিক বণিক ও কবি নিলাদ্রী দেব।
প্রিয় কবিদের সঙ্গ দিতে ছুটে আসি ‘কবিতায় কবির চেতনা গ্রুপের আয়োজনে শায়েস্তাগঞ্জ প্রেস ক্লাবে।
সমসাময়িক অনেক প্রিয় কবি, লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন।
আজকের অনুষ্ঠানের জন্য আমার এই কবিতাটি উৎস্বর্গিত,
মুর্খ মহা-রাজ হুঁশিয়ার
ন্যায়ের পথে জেগেছে জনতা,
কে রুখবে আজ?
মুক্তিকামী বিদ্রোহীরা মাঠে,
কোথায় সে নট-রাজ?
লও হাতে মুগুর কাস্তে শাবুল,
যুবা-বুড়ো নর-নারী,
কারা আজ সাজে মহা-রাজ,
কারা করে বাহাদুরী?
গণ-আদালতে জনতা বিচারক
জনতাই দিবে আজ রায়,
জেগেছে জনতা মুক্তি দিতে,
কলঙ্কের অধ্যায়।
কে দিলো তারে, মেন্ডেট ওরে,
মুর্খ মহা-রাজ।
চামার চাড়াল নিয়েছে কাল
যত্তো সব, নটী-রাজ।
যারা হতে চায় হারমীর সরদার
ভাঙো বিষদাঁত তার,
মুগুর মেরে থামাও তারে
যে কি-না, দেয় হুংকার।
মুক্তির পথে ঐক্য জনতা,
আর নেই কোন নিস্তার,
রুখবে জনতা শক্তহাতে আজ
মুর্খ-মহা-রাজ হুঁশিয়ার।


