৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৯শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

‘অ্যাসাঞ্জকে লন্ডনের দূতাবাস থেকে বহিষ্কারের খবর ভুয়া’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে বহিষ্কার করার যে খবর শোনা যাচ্ছে তা ভুয়া বলে জানিয়েছে ইকুয়েডর। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতাকে বহিষ্কারের কোনো সিদ্ধান্ত তারা নেয়নি। দেশের মার্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত ইকুয়েডর নেবে না বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে উইকিলিকস এই টুইটে জানায়, ইকুয়েডর তাদের লন্ডন দূতাবাস থেকে অ্যাসাঞ্জকে বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই আশঙ্কাই শুক্রবার থেকে দূতাবাসের সামনে ভিড় করতে শুরু করে তার ভক্ত-সমর্থকরা। উইকিলিকস বার বার অভিযোগ করে আসছে, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয়ের সুরক্ষার অবসান ঘটাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ইকুয়েডরের জোসে ভ্যালান্সিয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এক বিবৃতিতে জানান, এই ধরনের ভুয়া খবর ছড়িয়ে অ্যাসাঞ্জ এবং তার প্রতিষ্ঠান ইকুয়েডরের প্রতি অসম্মান জানাচ্ছে।

এদিকে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগে ইকুয়েডরের দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই কর্মকর্তা দেশের প্রতি তার যে কর্তব্য তা যথাযথভাবে পালন করছিলেন না। এজন্য তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ওই কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

সম্প্রতি ইকুয়েডর অভিযোগ করে, দেশটির প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনোর ব্যক্তিগত নথি ফাঁস করেছে উইকিলকস। এরপর থেকেই ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জকে বহিষ্কার করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে সংস্থাটি।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০১২ সালের ১৯ জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। সেখানে অ্যাসাঞ্জকে এক ধরনের বন্দি জীবনযাপন করতে হয়। দূতাবাসের বাইরে বের হতে পারেন না তিনি। দূতাবাসের ভেতরেই তাকে সবসময় থাকতে হয়।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com