আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিককে কেন জামিন নয় : হাইকোর্ট

আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিককে কেন জামিন নয় : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থপাচারসহ বিভিন্ন মামলায় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের করা ৫ মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম ও তার দ্ইু ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে কেন জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।  বুধবার আপন মালিকদের পাঁচটি আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করে। ঢাকার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।

চলতি বছরের মে মাসে আপন জুয়েলার্সের বিভিন্ন শো রুম থেকে ১৫ দশমিক ৩ মণ স্বর্ণ এবং ৭ হাজার ৩৬৯টি হীরার অলঙ্কার জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। এরপর, গত ১২ অগাস্ট শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মুদ্রাপাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে দিলদার ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে গুলশান, ধানম-ি, রমনা ও উত্তরা থানায় পাঁচটি মামলা করে।

মামলায় অভিযোগ বলা হয়, চোরাচালানের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার এনে এর অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সঠিক পরিমাণ তারা আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ করেনি। এসব মামলায় দিলদার ভাইয়েরা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিলেও তার মেয়াদ শেষে নিয়ম অনুযায়ী নিম্ন আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ২২ ও ২৩ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। তিন ভাই ২৪ অক্টোবর ঢাকার মহানগর আদালতে ভিন্ন ভিন্ন হাকিমের কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। বিচারিক আদালতে জামিন না পেয়ে দিলদার ও তার ভাইয়েরা হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

আপন জুয়েলার্সের অন্যতম মালিক দিলদার হোসেনের ছেলে সাফাত কয়েক সহযোগীকে নিয়ে একটি জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া দুই তরুণীকে ধর্ষণ করেন- এমন অভিযোগ ওঠার পরই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দারা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *