‘গণতন্ত্র উদ্ধার করতে সাজাপ্রাপ্ত মানুষের নেতৃত্বে চলে গেছেন সুশীল বাবুরা’

‘গণতন্ত্র উদ্ধার করতে সাজাপ্রাপ্ত মানুষের নেতৃত্বে চলে গেছেন সুশীল বাবুরা’

পাথেয় রিপোর্ট : ড. কামাল হোসেন সাহেবসহ বিএনপি-জামায়াতের সুশীল বাবুরা স্লোগান দিচ্ছেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র উদ্ধার করতে। অথচ গণতন্ত্র উদ্ধার করতে সাজাপ্রাপ্ত মানুষের নেতৃত্বে চলে গেছেন এসব সুশীল বাবুরা, এটা বাংলাদেশের এক দুর্ভাগ্য বলে মন্ত্যব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন এবং সুধীসমাজের কিছু সদস্যের বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে হাত মেলানোর ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আমাদের ড. কামাল হোসেন সাহেবসহ যে সুশীল বাবুরা এক জায়গায় হয়ে গেছেন। সবাই অনেক নীতির কথা বলেন, তাঁদের সেই নীতি কোথায় গেল? কার অধীনে আজকে তাঁরা মনোনয়ন নিচ্ছেন। শেখ হাসিনা বলেন, যারা একসময় আইনকেই মানেনি তাদের কাছ থেকে মনোনয়ন নিয়ে তাঁরা নাকি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন।

২৭ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে সশস্ত্র বাহিনীর দেড় শতাধিক সাবেক কর্মকর্তার আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নৌকার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সহায়তার লক্ষ্যে দেড় শতাধিক সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গতকাল আওয়ামী লীগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের এই কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর সঙ্গে ছবি তোলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁরা আমাকে দুর্নীতিবাজ বলে বক্তৃতা দিয়েছেন, তাঁরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন, আজকে সব ভিড়েছেন গিয়ে কোথায়? গণতন্ত্র রক্ষা করতে; কিন্তু গণতন্ত্রের অভাব কোথায়? এই বিএনপির আমলেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত মানুষের নেতৃত্বে চলে গেছেন আমাদের এই সুশীল বাবুরা, গণতন্ত্র উদ্ধার করতে, এটা বাংলাদেশের এক দুর্ভাগ্য।

সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তাদের মধ্যে ১০৯ জন সেনাবাহিনীর, ১৮ জন বিমানবাহিনীর এবং ১৯ জন নৌবাহিনীর।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা : লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল ওয়াদুদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবর, লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাব্বির আহমেদ, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবুল হোসেন, মেজর জেনারেল মো. রফিকুল আলম, মেজর জেনারেল জি এইচ মোর্শেদ খান, মেজর জেনারেল কাজী আশফাক আহমেদ, মেজর জেনারেল আলা উদ্দিন মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, মেজর জেনারেল শিকদার মো. শাহাবুদ্দিন, মেজর জেনারেল আবদুল মতিন, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইমরুল কায়েস, মেজর জেনারেল কাজী ফকরুদ্দীন আহমেদ, মেজর জেনারেল মুহম্মদ ফেরদৌস মিয়া, মেজর জেনারেল মো. জাহিদুর রহমান, মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, মেজর জেনারেল আশরাফ আবদুল্লাহ ইউসুফ, মেজর জেনারেল মো. সালাহউদ্দিন মিয়াজী, মেজর জেনারেল হারুনুর রশিদ, মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ মো. মহিউদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এইচ সালাহউদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তোজাম্মেল হক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ হোসাইন সাদেক (এইচ এম সাদেক), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রকিবুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আলী মণ্ডল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহমুদুল হক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবুল হাশিম খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মমিনুল হক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শফিউল মাওলা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সেলিম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শাহজাহান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ইকবাল হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নূরুল বশীর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাসুদ হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবুল কালাম আজাদ, কর্নেল এস এম শওকত আলী, কর্নেল মো. আইনুল আজিম, কর্নেল মো. আওলাদ হোসেন, কর্নেল আ জ ম বজলুল হক, কর্নেল এ টি এম মেসবাহ উদ্দিন সেরনিয়াবাত, কর্নেল মো. শাহ আলম, কর্নেল আ ফ ম আহম্মদ উল্লাহ ইমাম খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল হক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল খালিদ আজম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জয়নাল আবেদীন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ টি এম মহিউদ্দিন সেরনিয়াবাত, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফকির মাহবুবুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ আবিদুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সাখাওয়াত হোসাইন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আরিফুল আজম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রাজিবুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আনিসুল হক মৃধা, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম ইকবাল আলম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুন নুর খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল জি এম জামায়েত হোসেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফোরকান আহমদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রমজান আলী সরকার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মির্জা হারুন-অর-রশীদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল কানিজ ফাতেমা সুলতানা, মেজর মো. সানা উল্লাহ মিঞা, মেজর মো. মহসিন তালুকদার, মেজর মো. আব্দুল লতিফ হাওলাদার, মেজর এ টি এম আব্দুল হালিম, মেজর মো. আব্দুল বাকের সিকদার, মেজর মো. মাসুদুল আলম, মেজর মো. মহসিন সিকদার, মেজর খন্দকার হাসান বাহলুল, মেজর বনমালী রায়, মেজর ইরফানুল বারী, মেজর মো. মাহমুদুল হক খান, মেজর এস এম মইনুল হাসান, মেজর জাহাঙ্গীর, মেজর ইমরান, মেজর মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, মেজর পরিতোষ কুমার রায়, মেজর মো. সেলিম হাসান, মেজর মোহাম্মদ আবু তাহের, মেজর মো. দেলোয়ার হোসেন খান, মেজর এস এম গোলাম মোস্তফা বেনজীর, মেজর মো. জসিম উদ্দিন, মেজর মো. আবুল কালাম মৃধা, মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মেজর সরোয়ার ইমরান মাহমুদ, মেজর মো. মেবাশ্বিরুল ইবাদ, মেজর মো. রেজাউল করিম, মেজর শেখ ওয়াসিউজ্জামান লেলিন, মেজর সাইফ-উল-আলম মো. আল আমীন, মেজর সামসুদ্দীন আহমেদ চৌধুরী, মেজর মো. আব্দুস সালাম খান, মেজর মাসুম আহমেদ, মেজর মো. জিয়াউল আহসান সরোয়ার, মেজর মো. ইউসুফ হোসেন, মেজর রাইসুল ইসলাম, মেজর মো. আবু সাইদ, মেজর তছলিমা ফেরদৌস, ক্যাপ্টেন শওকত, ক্যাপ্টেন মো. সাঈদুজ্জামান খান, ক্যাপ্টেন শেখ এহসান রেজা, ক্যাপ্টেন মো. মঞ্জুরুল হক, লেফটেন্যান্ট গুলসান আরা মুক্তা, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম নাজিমুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট মো. জাবেদ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কানিজ ফাতেমা।

অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা : রিয়ার অ্যাডমিরাল এ এস এম আব্দুল আওয়াল, রিয়ার অ্যাডমিরাল আবুল কালাম মোহাম্মদ আজাদ, রিয়ার অ্যাডমিরাল হারুন-উর-রশিদ, কমোডর ওবায়দুল হক, কমোডর এম জিয়াউল আহসান শেখ, কমোডর আবদুল মমিন মিয়া, কমোডর এ ডব্লিউ চৌধুরী, কমোডর এম সামছুল কবীর, কমোডর কাজী এমদাদুল হক, কমোডর এস এস নিজাম, ক্যাপ্টেন মাহমুদুল হক চৌধুরী, ক্যাপ্টেন পাটোয়ারী জহির উল্লাহ, ক্যাপ্টেন মাকসুদুর রহমান, ক্যাপ্টেন এম ইমদাদুল হক, ক্যাপ্টেন মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম শাহাদৎ হোসেন, ই. ক্যাপ্টেন আব্দুল জব্বার, ই. ক্যাপ্টেন এম মোছলেউদ্দিন, ই. কমান্ডার হরিদাস সাহা, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম জালাল উদ্দীন।

অবসরপ্রাপ্ত বিমান কর্মকর্তা : এয়ার ভাইস মার্শাল কাজী নজরুল হক, এয়ার কমোডর কাজী দেলোয়ার হোসেন, এয়ার কমোডর মোস্তাক আহমেদ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মুজাহিদুল ইসলাম, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ খুরশীদ আলম চৌধুরী, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এন আই এম ফেরদৌস হোসেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এম আব্দুর রশীদ খান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলমগীর, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. ইউনুস চৌধুরী, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম, উইং কমান্ডার কাজী মুনিরুল ইসলাম, উইং কমান্ডার এম মোস্তাফিজুর রহমান, উইং কমান্ডার এ কে এম কাল উদ্দিন, উইং কমান্ডার এম আলাউদ্দিন মন্ডল, উইং কমান্ডার এম আনোয়ারুল হক, উইং কমান্ডার খন্দকার এ এফ এম মহিবুল্লাহ, উইং কমান্ডার ইসমাইল হোসেন সিরাজী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *