২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ইং , ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১২ই রজব, ১৪৪২ হিজরী

গ্যাস সিলিন্ডার দুর্ঘটনা রুখতে হবে

সচেতনতা । মো. আব্দুল আলীম

গ্যাস সিলিন্ডার দুর্ঘটনা রুখতে হবে

চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় ২০১৯ সালে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ ৭ জন নিহত হয়েছিল। এ ঘটনায় মারাতœক দগ্ধ হয়েছিল আরো বেশ কয়েক জন। পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাসের লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ওই ভবনের দু’টি দেয়াল ধসে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৭ জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঐ বছরই নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড সাহেবপাড়ায় চুলার গ্যাস থেকে লাগা আগুনে একই পরিবারের ৮ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে নুরজাহান বেগম নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। চুলার সুইচ খোলা থাকায় পুরো ঘর গ্যাসে ভরে যায়। ভোরে নুরজাহান বেগম পানি গরম করার জন্য চুলায় আগুন ধরাতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। শীতের সময় জানালা দরজা বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান ও বাসার গ্রিল কেটে তাদের উদ্ধার করেন। এরপর দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, এই ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ না করা গেলে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হবে না। একটু সচেতন হলেই এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করা যায়।

দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন এবং ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে এলপি গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দ্রুত শিল্পায়নের ফলে চাহিদা আরো বাড়ছে। রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার শুরু হয় ২০০৫ সালে। পাইপলাইনে বাসাবাড়িতে গ্যাস-সংযোগ বন্ধের পর এলপিজির ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। বসতবাড়ি ছাড়াও হোটেল, রেস্তোরা, বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও মোটরগাড়িতে এলপি গ্যাসের ব্যবহার হচ্ছে। আগামী বছরগুলোতে এলপি গ্যাসের ব্যবহার আরো বাড়বে।

দেশে গ্যাস বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিস্ফোরক পরিদফতরের মতে, গত ১০ বছরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ সংক্রান্ত নয় শতাধিক দুর্ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার লোক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার। এর মধ্যে গত বছর নিহত হয়েছেন শতাধিক। ফায়ার সার্ভিস, তিতাস গ্যাস, বিস্ফোরক পরিদফতর ও বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য থেকে এ সংখ্যা বেরিয়ে এসেছে। এর মধ্যে গত বছরের শুরুতে রাজধানীর পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারান ৮১ জন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনজন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণে দু’জন, রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে বেলুন তৈরির সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত শিশু ও মানিকগঞ্জে একই পরিবারের তিনজন নিহত হন। তবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াদের তথ্য ফায়ার সার্ভিসের কাছে না থাকায় হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়নি। এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সারাদেশ থেকে গড়ে প্রতি মাসে ৫০০ জন আগুনে পোড়া রোগী ঢামেকের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন প্রায় এক-পঞ্চমাংশ রোগী। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৪০ শতাংশই গ্যাসের আগুনে দগ্ধ। দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাচ্ছেন অনেক দগ্ধ রোগী।

গ্যাস সিলিন্ডারের মান নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত নীতিমালা থাকলেও তার সঠিক প্রয়োগ নেই বললেই চলে। কারিগরি ত্রুটি, অসচেতনতা ও অসতর্কতার ফলে এসব দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনায় মৃত্যুর তালিকায় গ্যাস সিলিন্ডার দুর্ঘটনা এখন অনেক উপরের দিকে। গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। সিলিন্ডার রাখার জন্য নিরাপদ জায়গা নির্ধারণ; রান্না শুরু করার আগে ও পরে গৃহীত সতর্কতা এবং রেগুলেটরসহ সিলিন্ডারের খুঁটিনাটি সব পরীক্ষা করে রান্নাঘরে যথাযথ ভ্যান্টিলেশনের ব্যবস্থা করা। সিলিন্ডারের মুখে রেগুলেটর লক হয়ে একটি রাবারের সিল চেপে থাকে। ব্যবহারকারীরা চুলার সুইচ বন্ধ করলেও অজ্ঞতার কারণে রেগুলেটর সুইচ বন্ধ করেন না। যার কারণে সিলিন্ডারের গ্যাস বের হয়ে রাবারের সিলে চাপ সৃষ্টি করে এবং গ্যাস লিক করে চুলার আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ ঘটায়। পেশাদার কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞ মহলকে এ দুর্ঘটনা রোধে আরো উদ্যোগী হতে হবে এবং ব্যবহারকারীদের ভেতর সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

এলপিজি বিধিমালা, ২০০৪- এর তৃতীয় অধ্যায়ে বলা হয়েছে, কোনো লাইসেন্সধারী ব্যতিত অন্য কেউ এলপিজি বিক্রয় ও বাজারজাত করতে পারবেন না। বাস্তবে লাইসেন্স ছাড়াই এলপি গ্যাস ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। অলিগলিতে গড়ে উঠেছে এলপিজি গ্যাসের দোকান। গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১- এর চতুর্থ পরিচ্ছেদে বলা হয়েছে, গ্যাস পূর্ণ সিলিন্ডার কোনো দ্বিচক্রযানে পরিবহন করা যাবে না, কোনো যানে সিলিন্ডার পরিবহনের ক্ষেত্রে সিলিন্ডারের কোনো অংশ উক্ত যানের বাইরে থাকা যাবে না। গ্যাস পরিবহনেও রয়েছে আমাদের অসচেতনতা। জনাকীর্ণ স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার আঘাতপ্রাপ্ত হলে কিংবা পড়ে গেলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।

গ্যাস-পাইপলাইনের বিভিন্ন ত্রুটির কারণেও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। ঢাকা শহর ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে গ্যাস-সংযোগ নেওয়া হয়। এসব গ্যাস-পাইপলাইনে কারিগরি ত্রুটি থাকে, পাইপলাইনের লিকেজের কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা এড়াতে ডিলারসহ প্রাহকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার ব্যবস্থা করতে হবে। রান্নার পাশাপাশি মোটরযানেও রয়েছে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার। সিলিন্ডার দুর্বল বা মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বাস-ট্রাকে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বেশি থাকে। বাস-ট্রাকে সাধারণত ছয় থেকে আটটি সিলিন্ডার থাকে। গ্যাস ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য গাড়ির মালিক নিম্নমানের প্রতিষ্ঠান থেকে কম মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয় করে গাড়িতে সংযোজন করেন। কম মূল্যের বাড়তি সিলিন্ডারটি অন্যান্য ভালো সিলিন্ডারগুলোকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। যার কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।

পাঁচ বছর পরপর সিলিন্ডার রি-টেস্ট করার বিধান থাকলেও বেশিরভাগ ব্যবহারকারী তা করেন না। ২০১৭ সালে বিস্ফোরক অধিদপ্তর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ১১ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষা করেছিল, তাতে দেখা যায় ৮ হাজার সিলিন্ডারই ব্যবহারের অনুপযোগী। এ থেকে সহজে বোঝা যায়, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঝুঁকি কতটা ব্যাপক। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত ২৫ লাখ যানবাহনের ভেতর গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেয় মাত্র ১৪ থেকে ১৫ হাজার যানবাহন।

রান্নার কাজে এখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার অনেকসময় মেযাদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করার ফলে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সিলিন্ডারগুলোর সাধারণত ১০ বা ১৫ বছরের মেয়াদ থাকে। ঐ মেয়াদের পরেও সেগুলো ব্যবহার করা হলে বিস্ফোরণের আশংকা থাকে। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় গ্যাস সিলিন্ডার রান্নাঘরে চুলার নিচে বদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়। বদ্ধ পরিবেশে না রেখে খোলামেলা জায়গায় সিলিন্ডার রাখলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কম থাকে।

মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার বন্ধ করতে বন্ধে সরকার কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রতিটি সিলিন্ডার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। পুরোনো গাড়ি ক্রয় করার সময় সিলিন্ডার সংক্রান্ত ডকুমেন্ট ঠিক আছে কি না, তা বুঝে নিতে হবে। গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারকারীগণ সিলিন্ডার ক্রয় করার সময় নির্ধারিত নীতিমালা মেনে চললে এবং ব্যবহারের সময় সচেতনতা অবলম্বন করলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে বাঁচতে হলে করণীয় বিষয়গুরো হলো- রান্নার পর অবশ্যই গ্যাসের চুলা বন্ধ রাখতে হবে। একটু লম্বা পাইপ ব্যবহার করে বারান্দায় সিলিন্ডার রাখার চেষ্টা করা উচিত ব্যবহারকারীদের। চুলা জ্বালানোর আগে অবশ্যই রান্নাঘরের জানালা দরজা খোলা রাখতে হবে। চুলা জ্বলিয়ে কাপড় শুকানো যাবে না। সিলিন্ডার বা পাইপ লিক আছে কিনা, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে; রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই চুলা বন্ধ করে ঘুমাতে হবে। সিলিন্ডারের গ্যাস খুব বাজে গন্ধযুক্ত, লিক হলে খুব উৎকট গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তাই এমন উৎকট গন্ধ পেলে আগুন তো জ্বালানো যাবেই না, বাসার বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দিতে হবে এবং ফ্যান চালিয়ে গ্যাস ঘরের বাইরে বের করে দিতে হবে। সিলিন্ডার উচ্চচাপ ও তাপের এলাকায় রাখা না। অনেকে সিলিন্ডার বাঁকা করে বসিয়ে বা ঝাঁকিয়ে সিলিন্ডারের সবটুকু গ্যাস ব্যবহারের চেষ্টা করেন এত সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে মারাত্মক বিপদ হতে পারে। এগুলো অভ্যাসে পরিণত করলে পরিবার থাকবে নিরাপদ।

সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হলে যা করতে হবে- প্রথমে বালি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে হবে। পানি ব্যবহার করা যাবে না। শরীরে আগুন লাগলে কাপড়গুলো খুলে ফেলতে হবে; শরীরে ২০ মিনিট ধরে ঢালতে হবে এবং মোটা কাপড় বা কাঁথা ভিজিয়ে শরীর ঢেকে দিতে হবে; হাতের কাছে এসব জিনিজ না পাওয়া গেলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হবে। গ্যাসের বিস্ফোরণের পর যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্তদের খোলা জায়গায় নিতে হবে এবং আক্রান্তদের হাসপাতালে নিতে হবে।

এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে অদক্ষতা এবং অসচেতনতার কারণে সংঘটিত বিষ্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণ প্রতিরোধসহ নিরাপদে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, সিএনজি সিলিন্ডারসহ যেকোনো ধরণের গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সুষ্ঠুভাবে পরিচালন করা হচ্ছে কী না, যাচাইয়ের জন্য সিলিন্ডার মজুদ প্রাঙ্গণ, সিলিন্ডার পরীক্ষা কেন্দ্র নিয়মিতভাবে পরিদর্শন করা হচ্ছে। উক্ত বিধি বিধানসমূহ সুষ্ঠুভাবে পরিচালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এছাড়া এ বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশীয় গ্যাস ক্ষেত্রসমূহ হতে বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। আমদানীকৃত এলএনজিসহ বর্তমানে দেশে দৈনিক ৩ হাজার ১৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। গ্যাসের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

আগুন অমূল্য সম্পদ। আগুন ছাড়া আমাদের একদিনও চলে না। তেমনি আগুনের সঠিক ব্যবহারের অভাবে ঘটে যেতে পারে মারাত্মক বিপদ। তাই আগুনের উৎস্য এবং এর ব্যবহারে সম্পর্কে আমাদের সাবধান হতে হবে। আমাদের একটু সচেতনতা নিজের, পরিবারের এবং রাষ্ট্রের বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। পিআইডি নিবন্ধ

লেখক : কলামিস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Design & Developed BY ThemesBazar.Com