জীবন দিলেও আত্মমর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে দেয় না মুসলমান : মাহমুদ মাদানী
মুসলমানরা জীবন দিতে জানে কিন্তু আত্মমর্যাদা বিনষ্ট করবে না : মাহমুদ মাদানী
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম (মুম্বাই) : মুসলমানরা জীবন দিতে জানে কিন্তু আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দেয় না বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন জমিয়তে উলামা হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি, আওলাদে রাসূল মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী। তিনি বলেছেন, মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি আত্মসম্মান এবং আত্মমর্যাদা সম্পন্ন। আমাদের আকাবির ও আসলাফরা প্রখর আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন ছিলেন। তারা জীবনের বিনিময়ে হলেও তারা তাদের আত্মমর্যাদা বিনষ্ট হতে দেননি।
আত্মসম্মান ও আত্মমর্যাদা বিলীন করে দেয়ার প্রবণতা যেন দেখা না দেয় সে দিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান মাওলানা মাহমুদ মাদানী।
২ মার্চ শনিবার মুম্বাই-এর মালুনিতে জমিয়তে উলামা হিন্দের একটি সেমিনারে জমিয়তের জেনারেল সেক্রেটারি এসব কথা বলেন।
জানা যায়, দেশ নির্মাণ এবং জাতির উন্নতিতে আকাবিরদের কুরবানী’ শিরোনামে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
যার আত্মমর্যাদা বোধ আছে, সে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথানত করবে না মন্তব্য করে সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী বলেন, যার আত্মমর্যাদা বোধ আছে, সে অন্যায়ের কাছে মাথানত করবে না এবং অপরাধীদের সাথে আপোস করে না। আমরা আমাদের আকাবির ও আসলাফের এই গুণগুলো হারিয়ে ফেলেছি। নিজেদের আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা বিলীন করে দিচ্ছি। অপরাধের সাথে আপোস করছি।
আমাদের আকাবিররাই ভারত স্বাধীন করেছেন উল্লেখ করে জমিয়তে উলামা হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী বলেছেন, ভারতের ইতহাসে স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের আকাবির ও মুসলিমদের অবদানই বেশি ছিল। দেশ ও জাতির উন্নতিতে তারা সবসময় নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। জন্মসূত্রে আমরা ভারতীয়, পৈতৃক সূত্রে ভারতীয় এবং উত্তরাধিকার সূত্রে ভারতীয়। আমরা ভারতে জন্য, মানুষের উন্নতির জন্য কাজ করবো।
দ্বীনি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি জানিয়ে জমিয়তে উলামা হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী বলেন, সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারে দ্বীনি শিক্ষা, মাদরাসার শিক্ষা। নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামের হাদীসের শিক্ষাই বদলে দিতে পারে পৃথিবী।
উলামায়ে কেরাম ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদেরকে দ্বীনি শিক্ষা অর্জনে আরো বেশি গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গ্রন্থনা ও অনুবাদ : আদিল মাহমুদ
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির
সূত্র : হামারা সমাজ। উর্দু ডেইলি পত্রিকা দিল্লী।


