ক্রীড়া ডেস্ক : বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার ব্যাট হাতে ম্যাচ খেলতে নেমেছেন প্রায় ৮০ দিন পর। এশিয়াকাপে হাতে চোট পাওয়ায় তার এই দীর্ঘ বিরতি। ফাইনাল ম্যাচটা খেলতে পারেননি। সেই দুঃখ ও কম পোড়ায়নি তাকে। কি জানি হয়তো তামিম, সাকিব থাকলে এবারের কাপটা হেতা বাংলাদেশেরই।
তবে যাই হোক বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিসিবি একাদশের হয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে দুর্দান্ত এক ঝোড়ো সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি।
ইমরুল কায়েসের সঙ্গে মাত্র ৯ ওভারে ৮১ রানের জুটি গড়েন তামিম। ৩৪ বলে হাফসেঞ্চুরির পর শতক ছুঁয়েছেন তিনি ৭০ বল খেলে। ৭৩ বলে ১৩ চার ও ৪ ছয়ে ১০৭ রানে আউট হন এই ওপেনার। ২৩তম ওভারের পঞ্চম বলে স্টাম্পিং হন তামিম। দলীয় ১৯৫ রানে তিনি মাঠ ছাড়েন রোস্টন চেজের শিকার হয়ে। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ১১৪ রানের জুটি ছিল তার। এর আগে ইমরুল ২৫ বলে ৫ চারে ২৭ রানে আউট হন।
বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া ওয়ানডে সিরিজের একমাত্র প্রস্তুতি এই ম্যাচে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩৩১ রান করে তারা। বিসিবির বিপক্ষে ৮ উইকেটে ৩৩১ রান করে ক্যারিবিয়ানরা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাট চালিয়ে খেলতে থাকেন তামিম। মাত্র ৩৪ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন এই ওপেনার। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ফিফটি ছোঁয়া তামিম ইনিংস শেষ করেছেন ১৩টি চার ও ৩ ছক্কা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত ৭৩ বলে ১০৭ রান করে থেমেছেন দেশ সেরা ব্যাটসম্যান। তাকে থামান রোস্টন চেজ। তার বলে স্টাম্পড হয়েছেন তামিম।
গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে হাতে চোট পান তামিম। সে দিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে গিয়ে হাতে চোট পেয়েছিলেন তিনি। চোট পেয়েও দলের প্রয়োজনে শেষ দিকে এক হাতে ব্যাটিং করেন তিনি। এরপর থেকে তিনি প্রশংসায় ভাসছিলেন।
এই ম্যাচে পেসাররা উজ্জ্বল না হলেও মাশরাফির বোলিং প্রস্তুতি হয়েছে ৮ ওভারে ১ মেডেনসহ ৩৭ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়ে। তার সঙ্গে ওয়ানডে দলে জায়গা পাওয়া রুবেল ও নাজমুল বিসিবির পক্ষে এদিন দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া দুই উইকেট পান মেহেদী।


