দিল্লির মসজিদ ভাঙার ডাক দিলেন মহারাজ

দিল্লির মসজিদ ভাঙার ডাক দিলেন মহারাজ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতের দিল্লির জামে মসজিদ ভাঙার ডাক দিলেন এক আইন প্রণেতা। ভারতের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায় তিনি বিজেপি-র সংসদ সদস্য সাক্ষী মহারাজ।

উত্তরপ্রদেশে উন্নাওতে জনসভায় থেকে এক বিবৃতিতে দিল্লির জামে মসজিদ ভাঙার ডাক দিয়েছেন বিজেপি-র এই সংসদ সদস্য সাক্ষী মহারাজ। ওই বিবৃতিতে একই সঙ্গে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ার জন্য সরকার আইন আনবে এমন প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সচ্চিদানন্দ হরি সাক্ষী।

ওই বিবৃতিতে চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দিয়েছেন বিজেপি-র সংসদ সদস্য সাক্ষী মহারাজ। সংসদ সদস্য সাক্ষী মহারাজ বলেছেন, মসজিদের সিঁড়ির নিচ থেকে যদি বিগ্রহ না মেলে তবে তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হোক। সাক্ষী মহারাজের বক্তব্য, রাজনীতিতে আসার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম বিবৃতি এবং তিনি এ ব্যাপারে তাঁর সিদ্ধান্তে স্থির থাকছেন।

বিজেপি-র সংসদ সদস্য সাক্ষী মহারাজ বলেছেন, ‘আমি প্রথম রাজনীতিতে আসার পর মথুরায় বলেছিলাম, অযোধ্যা, মথুরা, কাশীর দরকার নেই… দিল্লির জামা মসজিদ ভাঙো, সিঁড়িতে যদি বিগ্রহ না মেলে তাহলে আমাকে ফাঁসিকাঠে ঝুলিয়ে দিও… সে বক্তব্যে আমি অবিচল রয়েছি। মহারাজ দাবি করেন, মুঘল আমলে হিন্দুদের ভাবাবেগ নিয়ে খেলা করা হয়েছে, মন্দির ভেঙে ৩০০০-এর বেশি মসজিদ গড়া হয়েছে।

বিজেপি-র সংসদ সদস্য সাক্ষী মহারাজের দাবি, তাঁর দল অযোধ্যায় মন্দির নির্মাণ নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। এ ব্যাপারে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, বিএসপি-র শীর্ষ নেত্রী মায়াবতী এবং সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদবকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলেছেন সাক্ষী মহারাজ।

একটি সূত্রে জানা যায়, প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করে থাকেন সাক্ষী মহারাজ। জনসভায় জামে মসজিদ ভাঙার উসকানি দিয়েই থেমে থাকেননি সাক্ষী মহারাজ। মহারাজ বলেন, মহারাজ বলেন, স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক যুগলের অন্তরঙ্গ ছবি তোলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বন্ধ হওয়া উচিত।

এর আগে ২০১৫ সালে সাক্ষী মহারাজা বলেছিলেন, হিন্দু নারীদের অন্তত ৪টি করে সন্তান থাকা উচিত। তাহলেই হিন্দু ধর্মের সঠিক রক্ষা হবে। এর ঠিক একবছর পর সাক্ষী বলেছিলেন, ‘গরু পাচার বা গো-হত্যা রুখতে হিন্দুরা প্রয়োজনে অস্ত্র হাতে নেবে।’ গরু পাচারের অভিযোগে ওই সময় এক মুসলিম ব্যক্তি খুন করা হয়েছিল। ওই ঘটনাকে সমর্থন করে সাক্ষী এ মন্তব্য করেছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *