দুই ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত

দুই ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত

পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশ শক্তিশালী দুই ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত ৬টি নিম্নচাপ, যার মধ্যে দুটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

কখনও ঝকঝকে রোদ আবার কিছুক্ষণ পরেই আকাশ মেঘলা হয়ে ঝুম বৃষ্টি। গত কয়েকদিন ধরে প্রকৃতির এই রোদ-বৃষ্টির খেলা চলছে। যেন থামার নামই নেই। মঙ্গলবার (০৯ এপ্রিল) সকাল থেকেও দেখা গেল এমনই চিত্র। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, চৈত্রের শেষের এই সময়টা এমনই। আগামী ১৪ এপ্রিল নববর্ষ পর্যন্ত থাকবে ঝড়-বৃষ্টির এই প্রবণতা। তবে গত কয়েকদিন ধরে যে তীব্রতা-এটা বুধবার (১৭ এপ্রিল) পর্যন্ত থাকতে পারে।

দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য সতর্ক বার্তায় বলা হয়- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ- হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি. মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *