দেশে কোন নিয়ম নেই, দেশ সম্পূর্ণ অনিয়মে চলছে : বঙ্গবীর

দেশে কোন নিয়ম নেই, দেশ সম্পূর্ণ অনিয়মে চলছে : বঙ্গবীর

পাথেয় রিপোর্ট : দেশে কোন নিয়ম নেই, দেশ সম্পূর্ণ অনিয়মে চলছে দাবী করে কৃষক-শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হয়। কিন্তু এই নির্বাচন কমিশন সেটা করেনি। সে জন্য আমার সন্দেহ হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভালোভাবে নির্বাচন করতে পারবেন কি না। এই সন্দেহ এখনো মানুষের মধ্যে আছে। অনেকের ধারণা, সরকার ভোট নিয়ে যাবে। আমার ধারণা, সরকার ভোটে টিকতেই পারবে না। কারণ এখন বাংলাদেশ কোন নিয়ম-কানুন নেই।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক থেকে বের হওয়ার সময় শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী আসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্বাধীন হলে ঐক্যফ্রন্টের দাবি অনুযায়ী নির্বাচনের তারিখ এক মাস পেছাতো বলে দাবি কাদের সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন কমিশন ঠিকভাবে চলছে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সাত দিন পিছিয়েছে, সেটা অন্যায়। এটা তো সরকারের আহ্বান, বদরুদ্দোজা চৌধুরীর আহ্বান ছিল। আমরা তো এক মাস চেয়েছি। দেশের মানুষ এক মাস পেছানোর কথা বলেছে।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব যা বলার বলবেন। আলাদা করে বলতে চাই না। তবু আপনারা যেহেতু জানতে চেয়েছেন, এতটুকু বলি, দেশ সম্পূর্ণ অনিয়মে চলছে। আমরা সেটা নিয়মে আনতে চাই।

এদিকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা করতে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু তা করা হয়নি। এতে তাঁরা অত্যন্ত হতাশ।

চলমান রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে বৈঠক শুরু হয়। চলে দেড়টা পর্যন্ত। ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *