স্প্যানিশ লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পিচিচি ট্রফি জিতলেন মেসি

স্প্যানিশ লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পিচিচি ট্রফি জিতলেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক : স্প্যানিশ লিগে গত মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করায় পিচিচি ট্রফি জিতলেন বার্সেলোনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। লিওনেল আন্দ্রেস মেসি এমন একটা নাম যারা ফুটবল খেলা দেখেন অথবা বোঝেন তারা সবাই এক নাম এ চিনবেন। যিনি মাত্র ২৫ বছর বয়সে নিজেকে এবং ফুটবল খেলা কে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যা হয়তো কেও কোনদিন কল্পনা ও করতে পারে নাই। তাঁর পায়ের জাদু তে মুগ্ধ হয় নাই এমন লোক খুজে পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। আর যারা তাঁকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলবে আসলে তারা হিংসাতে বলবে। কারণ সেই সব লোক এর পছন্দের খেলোয়াড় রা হয়তো সেই পর্যায়ে কোন দিন পৌছাতে পারবে না যে পর্যায়ে মেসি নিজে কে নিয়ে গেছেন এবং আরও উপরে যাবেন।

স্প্যানিশ লিগে গত মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করায় পিচিচি ট্রফি জিতলেন বার্সেলোনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের জনপ্রিয় ফুটবল বিষয়ক দৈনিক মার্কা কর্তৃক বার্সেলোনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০১৭-১৮ মৌসুমে সর্বোচ্চ ৩৪ গোল করায় মেসির হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

মেসির হাতে পুরস্কার তুলে দেন মার্কার পরিচালক হুয়ান ইগনাচিও গায়ার্দো। পুরস্কার জেতার পর লা লিগা নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেন এ আর্জেন্টাইন তারকা। তার মতে, পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে লা লিগা এখন অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এটা ভালো যে, লিগ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। কিছুই আর সহজ নেই, সবাই সবাইকে হারিয়ে দিতে সক্ষম। আমি চাই এমনটা আরও কিছু সময় চলুক।

মার্কার পিচিচি ট্রফি ছাড়াও বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ‘দ্য স্টেফানো ট্রফি’ ঘরে তুলেছেন মেসি। অনুষ্ঠানে ফরাসি শিল্পী মাইকেল রেইভান্দের আঁকা দারুণ একটি শিল্পকর্মও উপহার দেয়া হয় মেসিকে। টানা তিনবারের মতো ‘জামোরা’ ট্রফি জেতার কীর্তি গড়েছেন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ইয়ান ওবলাক। গত মৌসুমে ৩৭ ম্যাচে ২২ গোল করে এই ট্রফি জিতেছেন ৩৭ বছর বয়সী তারকা। স্প্যানিশ ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘দ্য জারা অ্যাওয়ার্ড’ গেছে ইগো আসপাসের হাতে। গত মৌসুমে সেল্টা ভিগোর হয়ে ২২ গোল করেছেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। স্পেনের ঘরোয়া ফুটবলের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার ‘মিগুয়েল মুনোজ ট্রফি’ জিতেছেন ভ্যালেন্সিয়া কোচ মার্সেলিনো। তার অধীনেই দীর্ঘ বিরতির পর চ্যাম্পিয়নস লিগে পা রেখেছে ভ্যালেন্সিয়া।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *