পাথেয় টোয়েন্টিফোর : এ বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার আশকিন, ফ্রান্সের রেজার্ড মুরু ও কানাডার ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। লেসার নিয়ে গবেষণায় যুগান্তকারী উদ্ভাবনের জন্য এ পুরস্কারে মনোনীত হন এই তিন বিজ্ঞানী। লেজার ফিজিক্সে যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তাদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
২ অক্টোবর মঙ্গলবার সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি ফর সায়েন্সের নোবেল কমিটি পদার্থবিদ্যায় চলতি বছরের বিজয়ী হিসেবে তাঁদের নাম ঘোষণা করে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তিন বিজ্ঞানী যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারের অর্থ ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (প্রায় ১০ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার) ভাগ করে নেবেন। বিবিসি জানিয়েছে, অপটিক্যাল টুইজার্স হিসেবে একটি লেজার কৌশল উন্নত করেছেন আশকিন, যা জৈবিক পদ্ধতি গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। মাওরো ও ডোনা উচ্চ তীব্রতা সৃষ্টি এবং খুব দ্রুত লেজার পালসের প্রক্রিয়া উন্নত করেছেন।
রয়টার্স বলছে, অস্ত্রোপচারের জন্য ব্যবহৃত লেজারের ক্ষেত্রে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সাফল্য দেখানোয় নোবেল কমিটি তিনজনকে এই পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স বলছে, এই আবিষ্কারগুলো লেজার পদার্থবিদ্যায় বিপ্লব ঘটিয়েছে। এ জন্য ৯ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। পদার্থবিদ্যায় নোবেলজয়ী তৃতীয় নারী হলেন ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। তিনি গত ৫৫ বছরের মধ্যে প্রথম নারী যিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন।
আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
আলবার্ট আইনস্টাইনের অপেক্ষবাদ তত্ত্বের মহাকর্ষীয় তরঙ্গ বাস্তবে শনাক্ত করার গবেষণার জন্য রাইনার ভাইস, কিপ এস থর্ন ও ব্যারি বারিশ গতবছর পদার্থে নোবেল পেয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করে গত বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান রেইনার ওয়েইজ, কিপ থ্রোন ও ব্যারি বরিশ।


