১৬ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১২ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

প্যান্ডোরা পেপারসের তালিকায় আট বাংলাদেশির নাম

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : প্যান্ডোরা পেপারস-এর সর্বশেষ নথিতে আরও আট বাংলাদেশির নাম এসেছে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে প্রকাশিত ওই নথিতে আট বাংলাদেশশির সঙ্গে যুক্ত পাঁচটি ঠিকানাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেকেই ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক।

সর্বশেষ তালিকায় থাকা আট বাংলাদেশি হচ্ছেন- মোহাম্মদ ভাই, সাকিনা মিরালী, নিহাদ কবির, অনিতা রানী ভৌমিক, ইসলাম মঞ্জুরুল, ওয়াল্টার পোলাক, ড্যানিয়েল আর্নেস্টো ইউবাটি এবং সায়েদুল হুদা চৌধুরী।

এদের মধ্যে নিহাদ কবির মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি।

ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) মতে, তালিকায় নাম আসার মানেই তার অর্থ এই নয় যে তারা কোনো বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন।

ফাঁস হওয়া নথিগুলো থেকে জানা যায়, সংস্থাগুলোর নাম বিদেশি শব্দযুক্ত হলেও সেখানে ব্যবহৃত ঠিকানাগুলো বাংলাদেশের।

সারা বিশ্বের ১৪টি আর্থিক পরিষেবা সংস্থার প্রায় ১১.৯ মিলিয়ন নথি ফাঁস করেছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, বিবিসি এবং দ্য গার্ডিয়ানসহ মিডিয়ার প্রায় ৬০০ সাংবাদিক প্যান্ডোরা পেপারসের তদন্তের সঙ্গে জড়িত।

নতুন তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া এবং আর্জেন্টিনার মতো দেশের (বাংলাদেশ ছাড়া) প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার ব্যক্তি ও সংস্থার নাম রয়েছে।

কবির ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডে “ক্যাপিটাল ফেয়ার হোল্ডিং লিমিটেড” নামে একটি কোম্পানি স্থাপন করেন। কোম্পানিটি ২০০৮ সালের ৮ আগস্ট নিবন্ধন করা হয়েছিল।

এছাড়া, তালিকায় থাকা আরেক বাংলাদেশি ইসলাম মঞ্জুরুল ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে “ওরিয়েন্টাল এগ্রিকালচারাল কেমিক্যাল কোম্পানি” নামে একটি কোম্পানির মালিক। তিনি বাংলাদেশের গুলশানের একটি ঠিকানা এবং যুক্তরাজ্যের একটি পরিচয় ব্যবহার করেছেন।

অন্যদিকে, সাইদুল হুদা, সকিনা ও মোহাম্মদ ভাই গুলশানের ঠিকানা এবং অনিতা রানী চকবাজারের ঠিকানা ব্যবহার করেছেন।

সাঈদুল “বেবেন ইন্টারন্যাশনাল” নামে একটি কোম্পানির মালিক, অনিতা “এন্টারপ্রাইজ হোল্ডিংস লিমিটেড”-এর মালিক, সাকিনা “মুন রেকার সার্ভিসেস কর্পোরেশন”-এর মালিক, মোহাম্মদ ভাই “১৯৩৬ হোল্ডিংস লিমিটেড”-এর মালিক, পোলোক “স্লিন্ট লিঙ্ক এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড” এবং ড্যানিয়েল “কিউডেল লিমিটেড”-এর মালিক।

এর আগে, প্রথম দফায় প্যান্ডোরা পেপারস প্রকাশিত নথিতে নেপালের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর নাম এসেছিল।

যদিও আইএসআইজে প্যান্ডোরা পেপারস-এর তথ্য সার্বজনীনভাবে প্রকাশ করে অংশীদারদের সঙ্গে বিনিময় করেছে।

এর আগে আইএসআইজে ২০১৪ সালে লাক্সলিকস, ২০১৬ সালে পানামা পেপারস ২০১৭ সালে প্যারাডাইস পেপারস এবং ২০২০ সালে ফিনসেন ফাইল ফাঁস করেছিল।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২২ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com