স্পোর্টস ডেস্ক ● টাইগারদের চলতি বছরের শুরুটা হয়েছিল নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে। যেখানে স্বাগতিকদের বিপক্ষে একটা জয়ও তুলে নিতে পারেনি সফরকারী বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও সমান সংখ্যক টি-টোয়েন্টিতে হারের গ্লনি নিয়ে দেশে ফিরতে হয়েছিল মাশরাফি-সাকিবদের।
ভালো হয়নি পরের মাসে ভারত সফরও। হায়দ্রাবাদে সিরিজের একমাত্র টেস্টটি হেরে যায় লাল-সবুজের দল। তবে পরের মাসে শ্রীলঙ্কা সিরিজে টেস্টে ঠিকই জয়ের দেখা পায় মুশফিকুর রহিমের দল। প্রথম টেস্টে হেরে গেলেও দ্বিতীয় ও নিজেদের শততম টেস্ট জিতে বিদেশের মাটিতে দ্বিতীয়বারের মতো সিরিজ ড্র করে দেশে ফেরে বাংলাদেশ। সফরে টেস্টের পাশাপাশি লঙ্কানদের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-২০ সিরিজেও ড্র নিয়ে ফেরে মাশরাফি ও তার দল।
এক মাসের বিরতিতে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে গিয়ে ৬ ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয় পায় টাইগারবাহিনী। পরের মাসেই কার্ডিফে রচিত হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন এক ইতিহাস।
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব ক্রিকেটের কুলিনদের এই আসরের সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে মাশরাফি নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। চমকে যায় পুরো বিশ্ব।
এরপর আগস্টে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের টেস্টে ১-১ এ সমতায় শেষ করে মুশফিকুর রহিম ও তার দল। পরের মাসেই পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়াল দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু সফরটি মোটেও সুখকর হয়নি। কেননা সিরিজে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে শোচনীয় হার নিয়ে দেশে ফেরে টাইগার সদস্যরা।
তাই সবমিলিয়ে বছরটিতে ভালো ও মন্দ দুটোই ছিল বলে মত ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজার।
‘আমাদের সবকিছু আমার কাছে মনে হয় ভালো খারাপ দুটাই ছিলো। কিছু কিছু ভালো পারফরম্যান্স ছিল। আবার শুরু এবং শেষটাও ভালো হয়নি। যদি বলেন যে নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হয়েছিল ওটা আমরা ভালো করিনি। টেস্ট ম্যাচে ভালো করেছিলাম। আবার সাউথ আফ্রিকায় শেষ হলো এটা সবাই জানে ভালো হয়নি। মাঝে কিছু পারফরম্যান্স হয়তোবা আমরা ভালো করেছি। আমার কাছে মনে হয় ভালো খারাপ দুইটা দিয়েই ছিলো।’
রোববার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চত্বরে সংবাদ মাধ্যমকে এসব কথা তুলে ধরেন মাশরাফি।


