২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৮ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

রাজধানীর জনসংখ্যার ৪.৮১ শতাংশই বেকার

নিজস্ব প্রতিবেদক ● রাজধানী ঢাকায় মোট জনসংখ্যার ৪.৮১ শতাংশ মানুষ বেকার। গবেষণা বলছে, যুবসমাজের মধ্যে দক্ষতা এবং শিক্ষার অভাবই মূলত বাড়িয়ে দিচ্ছে বেকারত্বের হার। আর ফলশ্রুতিতে বিশ্বব্যাপি ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজারের চ্যালেঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে যুবসমাজ। বিশ্বব্যাপি ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতাও প্রতিটি দেশে মন্দার সময়ে অস্থিতিশীল চাকরিক্ষেত্রে প্রভাব আনছে। ফলে ছোট থেকে বড় সব দেশেই ভালো চাকরির খুব অভাব দেখা দিচ্ছে। ২০১৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে কম ও সবচেয়ে বেশি মানসিক চাপের শহরগুলোর র‌্যাংকিং রিপোর্ট অনুসারে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বেকারত্বের হার ৮.৩৪ শতাংশ। এশিয়ায় এটি সবচেয়ে বেশি বেকারত্বের হার। আর কম্বোডিয়ার রাজধানীতে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম, ১ শতাংশ। ব্রুনেই এর রাজধানী বান্দার সেরি বেগাওয়ান সবার কাছে ভালো জীবনযাপনের এলাকা হিসেবেই পরিচিত। সেখানেও বেকারত্বের হার বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

সরকারি চাকরিই সেখানে চাকরির প্রধান ক্ষেত্র। ফলে প্রতিবছর বাড়তে থাকা তরুণ তরুণীদের কর্মসংস্থান করা আরো বেশি কঠিন হয়ে পড়ছে তাদের পক্ষে।মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ফিলিপাইনও তাদের বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য চাকরির সুযোগ তৈরির জন্য সংগ্রাম করছে। পাকিস্তানে বেকারত্বের হার ৬.১২ শতাংশ। ভারতে এই হার ৪.৩৮ শতাংশ। ভারতে কাজের প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত মানুষ রাজধানীর দিকে ছুটে আসছেন। আর সেসব কারণে বেকারত্বের হার বেড়েই চলেছে। ভারতের কলকাতা, মুম্বাই এবং ব্যাঙ্গালোরও চাকরির সুযোগ নিয়ে সংগ্রাম করে চলেছে। আধুনিক শহর হিসেবে পরিচিত কুয়ালালামপুরেও চাকরিবাজারে উন্নয়নে খুবই ধীরগতি লক্ষ্যনীয়।

গবেষণা বলছে, অধিক বেকারত্বের হার শুধু দেশের অর্থনীতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না বরং সামাজিক অবকাঠামোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। অধিক জনবহুল সাংহাই এবং জাপানের ব্যস্ত রাজধানী টোকিওর প্রযুক্তিগত অনেক অগ্রগতি থাকা সত্ত্বেও নানা সমস্যায় জর্জরিত হচ্ছে এই বেকারত্বের জন্যই।

শেয়ার করুন


সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ১৯৮৬ - ২০২১ মাসিক পাথেয় (রেজিঃ ডি.এ. ৬৭৫) | patheo24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com