নিজস্ব প্রতিবেদক ● চিন্তার আদানপ্রদানের জন্য লেখক প্রকাশ ও সম্পাদকদের সম্মিলনী আহ্বান করা হয়েছে অভিমত জানিয়ে লেখক গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন বলেন, আমরা সবাই মিলে একটাই কাজ করি সেটা হলো লেখালেখি। এই লেখালেখিটাকেই আরও শাণাতে চাই। একসময় ইংরেজরা আরবি বর্ণমালা মুছে দেয়ার চক্রান্ত করেছিল, পারেনি। শত বাধাবিপত্তির মধ্য দিয়েও আমাদের পূর্বসূরিরা সালাত, আজান ইত্যাদি আমাদের পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন।
ত্রিশ বছরে যে পরিপক্বতা এসেছে তা দুশো বছরের সঙ্গে ঘুলিয়ে বিচার করার দরকার নেই জানিয়ে বলেন, যতটুকু অর্জন করেছি তা অনেক। আরও অনেক দূর যেতে হবে, তাই এই সম্মিলনী। মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন লিখিত কী- নোটের বক্তৃতায় তিনি বলেন, চৌদ্দ কোটি মুসলমানের এই বাংলাদেশ এবং প্রায় তিরিশ কোটি বাঙলাভাষী মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের এই আয়োজন ও অবদান খুবই সামান্য। তা ছাড়া শিল্পের চরম প্রতিযোগিতার এই কালে— ভাষা, উপস্থাপন, বিষয়, রুচি, চিন্তা, অলঙ্করণ ও সৃষ্টিশীলতার বৈচিত্র্যে— আমাদের হাঁটতে হবে আরও অনেক পথ।
রবিবার সকালে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ‘ইসফেন্দিয়ার জাহেদ হাসান’ মিলনায়তনে লেখক প্রকাশক ও সম্পাদকদের সম্মিলনীতে মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন এসব কথা বলেন।
অনলাইনের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা করেন সাংবাদিক মিরাজ রহমান, লেখালেখির মান কী হওয়া উচিত তা নিয়ে আলোচনা করেন গণমাধ্যমকর্মী জহির উদ্দিন বাবর, শিশুতোষ লেখালেখি নিয়ে কথা বলেন ছড়াশিল্পী মাসউদুল কাদির, কেবল ইসলামী অঙ্গন নয় অন্যান্য অঙ্গনেও সরব আলেম সাংবাদিকগণ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মুফতি এনায়েতুল্লাহ, অনুবাদ কেমন হওয়া চাই— ব্যাখ্যা করে কথা বলেন মাওলানা মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসিন। সাহিত্য সংজ্ঞায়িত করে বক্তব্য দেন মাওলানা যুবাইর আহমদ আশরাফ।
কী- নোটের আলোকে বক্তব্য রাখেন, মুফতি আবদুর রাজ্জাক নদভী, মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, মাওলানা লিয়াকত আলী, মাওলানা আহমদ আলী, মুফতি আবুল হাসান শামসাবাদী, মাওলানা হাবিবুর রহমান খান, মাওলানা ড. গোলাম রাব্বানী, মাওলানা জহির ইবনে মুসলিম, মাওলানা হাবিবুল্লাহ গুলজার প্রমুখ।
এ ছাড়াও প্রতিনিধিত্বশীল তরুণরা নিজেদের অভিমত পেশ করেন।
পুরো অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় মাতিয়ে রাখেন মুফতি হুমায়ুন আইয়ুব ও মাওলানা গাজী মুহাম্মদ সানাউল্লাহ।


