পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : নেক ও এক হওয়ার স্লোগান নিয়ে—মানুষের হৃদয়কে ঈমানের স্বাদে তৃপ্তিময় করা ও নৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আহাম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.)-এর খলীফা, শাইখুল ইসলাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ-এর আহ্বানে আয়োজিত কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কার ইসলাহী ইজতেমা।
বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) ইসলাহী ইজতেমা আয়োজক কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর নির্বাহী সভাপতি মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ৪ মার্চ শুক্রবার থেকে তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দানে আমাদের ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনেক মুসল্লী ময়দানে চলে আসার কারণে আহাম বয়ানের মধ্য দিয়ে আজকে মাগরিবের নামাজের পর থেকেই ইজতেমা শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, ইজতেমার বিভিন্ন পর্বে ইসলাহী বয়ান, আম বয়ান, বিশেষ বয়ান, কোরআন তালিম ও তেলাওয়াত, জিকির ও দুরুদের আমলসহ ধারাবাহিক আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন আগত মুসল্লিরা।
এদিকে জামিয়াতুল ইসলাহ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সাঈদ নিজামী পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মানুষকে আল্লাহর পথে আসার আহবান ও মানুষের মনে আল্লাহতায়ালার ভালোবাসার উন্মেষ ঘটানোর উপায় এবং নৈতিক উন্নয়নের দাওয়াত নিয়ে ৪ মার্চ শুক্রবার থেকেই তাড়াইলের বেলঙ্কায় অবস্থান করবেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। ৬ মার্চ রোববার ইজতেমার আখেরি মোনাজাতও পরিচালনা করবেন তিনি।
প্রসঙ্গত, প্রতিবছরই কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দানে মানুষের আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ভাটির মানুষের দ্বীনী উন্নয়নে এই ইসলাহী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে এই ইজতেমার। এখানে বিশেষ ব্যবস্থায় নারীদের জন্যও আলাদা আলোচনা শোনার সুযোগ আছে। এছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, যুবক-তরুণদের জন্যও আলাদা আলাদা বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিনই বাইয়াতেরও সুযোগ থাকে। প্রতিবছরই কেউ না কেউ আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের খেলাফত লাভে ধন্য হন।


