পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আগামী ৪ নভেম্বর রববিার আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণা করবেন তিনি।
নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেছে বলে জানিয়েছেন কে এম নুরুল হুদা। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে সিইসি সাংবাদিকদের জানান। তবে কবে নির্বাচনের তফসিল হবে সে ব্যাপারে আজকের বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়। সংলাপের কারণে তফসিল পেছানোর কোনো সম্ভাবনা আছে কি না সে সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। কি করা হবে তা ৪ নভেম্বর কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে। তিনি বিভিন্ন দলের সঙ্গে সরকার ও আওয়ামী লীগের সংলাপকে স্বাগত জানান।
সব দলের কাছে নির্বাচন কমিশন আস্থা অর্জন করতে পেরেছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, তাঁরা আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের প্রতি সব দলের আস্থা আছে কি না সেটা তারা বলতে পারছেন না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী নির্বাচনে সব দল অংশ নেবেন।
এর আগে বিকেল পৌনে ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে যান নির্বাচন কমিশনারেরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন অপর চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করতে ইসির আগ্রহে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন সচিব বলে আসছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতে সিইসি বলেছেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তাঁরা তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
চলমান রাজনৈতিক সংলাপের কারণে ইসির তফসিল পরিকল্পনায় কোনও পরিবর্তন আসবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘সংলাপের বিষয়টি আমাদের পর্যালোচনায় রয়েছে। আমরা এখনও তফসিলের ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্তই নেইনি। ডিসেম্বর না জানুয়ারিতে ভোট হবে সে বিষয় এখনই বলা যাবে না।’
বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করার জন্য হাইকোর্টের নির্দেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ হাইকোর্টের আদেশ আমরা পেয়েছি। যিনি এ বিষয়ে দরখাস্ত করেছেন তার কপিও আমরা পেয়েছি। এখনও এ বিষয়ে সময় আছে। কমিশন আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।


