৩ নভেম্বর ইকরায় জমিয়তুল উলামার পরামর্শ বৈঠক

৩ নভেম্বর ইকরায় জমিয়তুল উলামার পরামর্শ বৈঠক

পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার উদ্যোগে ৩ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর খিলগাঁও জামিআ ইকরা বাংলাদেশ মিলনায়তনে জাতীয় পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উস্থিত থাকবেন সংগঠন ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ও ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন জানান, ইনশাআল্লাহ আগামী ৩ নভেম্বর জমিয়তুল উলামার গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে জমিয়তের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

বৈঠকে কী কী আলোচনা হবে জানতে চাইলে মাওলানা মাকনুন বলেন, ৩ তারিখে তো আমরা বসবো। তবে ৪ নভেম্বর হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীকে শোকরিয়া ও সংবর্ধনায় আমরা উপস্থিত হবো ইনশাআল্লাহ। অন্যান্য বোর্ডের মতোই সারা দেশ থেকে আমাদের সম্মানিত প্রতিনিধিগণও সেদিন আসবেন। আশা করছি ৪ নভেম্বর রাজধানীতে বড়ধরনের একটি সমাবেশ হবে।

৩ তারিখের আলোচনায় উঠে আসতে পারে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনার কিছু কিছু বিষয়াদীও। এ ছাড়া আমরা যশোর চাঁচড়ার মোর থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত একটি পথযাত্রা আল হামদুলিল্লাহ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। তবে আমাদের আশা পঞ্চগড় থেকে আরও একটি পথযাত্রা কক্সবাজার পর্যন্ত করবো। এ বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। জাতীয় বেফাকেরও কিছু বিষয়ে আলোচনা উঠে আসতে পারে।

বৈঠকে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী সবাইকে পরামর্শ বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১১ আগস্ট ১৬ বৃহস্পতিবার সকালে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাঁর গ্র্যান্ড ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ -এর তত্ত্বাবধানে সংগৃহিত একলক্ষ মুফতি, উলামা ও আইম্মার দস্তখত সম্বলিত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী মানব কল্যাণে শান্তির ফতওয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ-এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে অর্পণ উপলক্ষে ‘ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা আয়োজিত উলামা সম্মেলনে একদম কোমায় চলে যওয়া মৃতপ্রায় স্বীকৃতির কথা তুলে ধরেছিলেন আল্লামা মাসঊদ। সেসময় যারা এগিয়ে আসবেন তাদের নিয়েই কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাসের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, কওমী মাদরাসার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যই আমরা কওমী মাদরাসা শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলাম।

সম্মেলনে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের দাবির প্রেক্ষিতে কওমী মাদরাসা সনদ দেয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়নের সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সনদ দিতে হলে ন্যূনতম একটা কারিকুলাম দরকার। আমরা কওমী মাদরাসা কমিশন গঠন করে দিয়েছি। কিন্তু কওমী মাদ্রাসার পাঁচটি বোর্ড একমত হতে পারেনি। সবাই একমত হোন অথবা যারা আগ্রহী তারা একমত হোন, আমরা বাস্তবায়ন শুরু করে দেবো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *