অবাক পাখির সাথে | কাদির চৌধুরী বাবুল
এই অদ্ভুত পাখিটাকে আমি চিনি না, পাখিটির এতো মায়াবী সুর,
কাঁপায় দেয় মন সমুদ্দুর।
অচেনা পাখি কী এতো মায়া জানে? জলতরঙ্গ ভেঙে ডাঙা বেয়ে উঠে জল। পাখিটি ভোর হলেই ডাকে,
শিশিরের ফাঁকেফাঁকে,
মোহিনী সুরে,
নেড়ে দেয় বুকের পাজরে হৃদপিণ্ড।
অখণ্ড শান্তির প্রত্যাশায় আমি,
ভোরের নিরবতা ভেঙে পাখির কাছে প্রতিদিন থামি।
সেযে অচেনা পাখি,
অচেনা যাদুমাখা সুরে উঠে বারংবার ডাকি।
ডাগর চঞ্চু আর অজস্র রকমারি পালক মেলে, গুচ্ছ পুচ্ছ নেড়ে, নীড় ছেড়ে নামে পাখি, কখনো মুখোমুখি রঙচঙে মিশ্ররাগে শোনায় ভোরের গান।
কে দিলো সেই অদ্ভুত পাখির সন্ধ্যান?
আমার প্রতিদিন ভোর কাটে নিয়মের হাটে, সবুজ মাঠে, পথেঘাটে। অবাক পাখির সুরে সুরে, সুর মেলাতে পাড়ার কেউ বাদ যায়নি এবার।
প্রাতঃকৃত্য সেরে শতাধিক ঘর ছাড়ে পাখির আবাসনে। যদি পাখি শীতশেষে উড়াল দেয় কষে, জানি সে দিন আকাশে পুঞ্জিত মেঘ যাবে ভেসে।
বৃষ্টি হয়ে ঝরে যাবে আমার সীমানায়।


