পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম (দিল্লি) : যে জাতি নিজেদের বিদ্বান পূর্বপুরুষ ও উলামায়ে কেরামদের ভুলে যারা তারা ধীরে ধীরে নিঃশ্বেস হয়ে যায়। শুক্রবার ২৭ সেপ্টেম্বর গাওকোটা বাস স্ট্যান্ডে একটি মসজিদ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন জমিয়তে উলামা হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদ মাদানী।
তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। এর পবিত্রতা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। সবসময় আমাদের মসজিদমুখী হওয়া চাই। আলেমদের সঙ্গেও আমাদের দৃঢ় সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনেই ঘরে-বাইরে সবজায়গাতেই পরিশীলিত ও সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা যাবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা সবক্ষেত্রেই পাশ্চাত্যমুখী হয়ে গেছি। সভ্যতা, সংস্কৃতিতে আমরা তাদের অন্ধ অনুসরণ করছি। যা আমাদের ভালোমন্দ বিশ্লেষণের যোগ্যতাকে মেরে ফেলেছে। এই দুনিয়া হল ক্ষনস্থায়ী, এখানে চিরকাল থাকা যাবে না। বরং আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বীন ও দুনিয়ার যে পথ নির্ধারণ করে দিয়েছেন আমাদের তাই মেনে চলা উচিৎ এবং অবশ্যকর্তব্য। এতেই সফলতা।
মাওলানা মাহমুদ মাদানী বলেন, হুযুর সা. বলেছেন, কেয়ামতের আগে এমন সময় আসবে, যখন মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে। ইলম উঠিয়ে নেয়া হবে, হত্যা বেড়ে যাবে’
ঠিক তেমনি বর্তমানে সারা বিশ্বই একটি টালমাটাল অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মূর্খতা ও ভণ্ডামিতে সয়লাব চারদিক। সঠিক জ্ঞানের চর্চা কমে গেছে। যারা বিদ্বান ছিলেন, পৃথিবীর মানুষকে সত্য জ্ঞান বিলাতেন তাদের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসছে। দিনদিন জ্ঞানের এই বিস্তৃত মোহনা যেন শুকিয়ে যাচ্ছে।
আজকাল মূর্খ ও অশিক্ষিত লোকেরা দেদারে মাসআলা দিয়ে বেড়াচ্ছে। নিজে তো পথভ্রষ্ট হচ্ছেই অন্যকেও পথভ্রষ্ট করে ছাড়ছে এসব আনপড় লোকগুলো।
মাওলানা মাদানী বলেন, আমাদের এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতো হলে সর্বপ্রথম যেটি করতে হবে সেটি হলো দ্বীনের পথে চলা। পরিপূর্ণ ইসলামী রীতিনীতি অনুসারে অামাদের জীবন পরিচালনা করতে হবে। সেইসাথে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি লক্ষ্য রেখে সবসময়ই পরস্পরের ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে।
অনুবাদ ও গ্রন্থনা : কাউসার মাহমুদ
তথ্যসূত্র : ডেইলি হামারা সামাজ, দিল্লী
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


